ঢাকাWednesday , 26 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্রয়ে সরকারি কোম্পানির নিরঙ্কুশ ক্ষমতা খর্বের উদ্যোগ

Link Copied!

Govt-Logoনিজস্ব প্রতিবেদক : কেনাকাটার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির দুর্নীতি কমাতে ‘কোম্পানি আইন, ১৯৯৪’ সংশোধন করা হচ্ছে। এতে ক্রয়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। ফলে কোম্পানির কেনাকাটায় প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান নিরঙ্কুশ ক্ষমতা খর্ব হবে।
বুধবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
সংশোধিত আইন অনুসারে, কোম্পানি নির্দিষ্ট পরিমাণের বাইরে কেনাকাটা করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ৫০০, ২০০ ও ৫০ কোটি টাকার বেশি ক্রয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।
বর্তমানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ যে কোনো ধরনের কেনাকাটায় যথেচ্ছা ক্ষমতা ভোগ করছে। পরিচালনা পর্ষদ শত কোটি, এমনকি হাজার কোটি টাকার পণ্য কেনার অনুমোদন দিতে পারেন। এই ক্ষমতা কমিয়ে আনতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের প্রস্তাবের সার-সংক্ষেপে বলা হয়েছে, সাধারণভাবে সরকারি অর্থে কোনো কিছু ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সীমার পর সরকারের প্রধান নির্বাহীর অনুমোদনের বিধান রয়েছে। কিন্তু ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনে নিবন্ধিত রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে এ বিধান পরিপালিত হচ্ছে না। এমনকি, কোম্পানি আইনেও এ-সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়নি। এই আইনের আওতায় নিবন্ধিত কোম্পানির ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদনের ক্ষমতা কার উপর অর্পিত, সুনির্দিষ্টভাবে তা উল্লেখ করা নেই।
এতে বলা হয়েছে, কোম্পানির সংঘবিধিতেও ক্রয় চুক্তি অনুমোদনের এখতিয়ারের বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু নেই। কোম্পানি আইনের তফসিল-১ ও সংঘবিধির ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা বা কার্যাবলী পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক পরিচালিত। এই সংস্থান অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানির নিজস্ব ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও পরিচালনা পর্ষদ একইভাবে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রয়োগ করছে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, সরকারি অর্থ ব্যয়ে ক্রয় অনুমোদনের পূর্ণ ক্ষমতা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের এখতিয়ারে না রেখে, নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতা বণ্টন করে, ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পর্যন্ত অনুমোদনের ক্ষমতা ন্যস্ত করা যেতে পারে।
এ ক্ষেত্রে তিন ক্যাটাগরির ক্রয় প্রস্তাবের ক্ষেত্রে তিন ধরনের সীমা আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে কার্য (ওয়ার্ক) ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৫০০ কোটি টাকা, পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২০০ কোটি টাকা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ও পেশাগত সেবা ক্রয়ে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্রয় প্রস্তাব কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন দিতে পারবে। ক্যাটাগরি-ভিত্তিক আর্থিক পরিমাণ উল্লেখিত সীমার বেশি হলে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।