ঢাকাSunday , 23 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিনে তীব্র পরিবহন সংকট

Link Copied!

Road Carনিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে রোববার রাজধানীতে গণপরিবহনের তীব্র সংকট লক্ষ করা গেছে।
সকালে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘ সময় গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষা করেছেন অফিসগামী মানুষ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষেরা।
রাজধানীর সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা মতিঝিলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য কর্মদিবসের চেয়ে এলাকা অনেকটা ফাঁকা। সরকারি অফিসগুলোতে কর্মচাঞ্চল্য নেই বললেই চলে।
সকাল ৯টার দিকে ধানমন্ডির ঝিগাতলায় গিয়ে দেখা যায়, নিয়মিত অফিসগামী মানুষের আনাগোনা, সঙ্গে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রচেষ্টা। কিন্তু সবকিছু ভেস্তে যাচ্ছে গণপরিবহনের সংকটে।
মতিঝিলে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখায় কাজ করেন জাকারিয়া মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আমি অফিসের কাজে প্রতিদিন ঝিগাতলা থেকে গণপরিবহনে মতিঝিলে যাই। আজ সকাল থেকে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু বাস কম আসছে। আবার যেসব বাস আসছে সেসব বাসে মানুষের এত চাপ যে, উঠাই মুশকিল।’
এ সময় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
এ দিকে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফার্মগেট হয়ে আসা উত্তরা, গাজীপুর, আব্দুল্লাপুর, মিরপুর ও গাবতলীর বাসগুলো তার স্বাভাবিক রাস্তা শাহবাগ হয়ে গুলিস্তান, সদরঘাট, মতিঝল ও যাত্রাবাড়ী যেতে পারছে না। বাংলামোটর থেকে মগবাজার রোডে ডাইভারশন করে দিচ্ছেন ট্রাফিক সদস্যরা। তবে ব্যক্তিগত গাড়িগুলোকে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে মৎস্য ভবন, রমনা, প্রেসক্লাবসহ আশপাশের এলাকায় যাত্রীরা শাহবাগে নেমে যাচ্ছেন। তাদের হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
বাংলামোটর এলাকায় ডাইভারশনের কারণে তীব্র যানজট লক্ষ করা গেছে। তবে শাহবাগ, মৎস্য ভবন হয়ে মতিঝিল ও গুলিস্তান এলাকার সড়কগুলো ফাঁকা দেখা গেছে।
এদিকে কাউন্সিলকে ঘিরে দ্বিতীয় দিনেও এর আশপাশের এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা লক্ষ করা গেছে। পুলিশের মহাপরিদর্শকের আগের ঘোষণা অনুযায়ী, ওই এলাকায় ১০ হাজার পুলিশ মোতায়নের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন র‌্যাব, সোয়াত, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ও ডিজিএফআই।