আন্তর্জাতিক ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলীয় রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি গির্জায় প্রবেশ করে ডানপন্থী ও অভিবাসনবিরোধী একটি গ্রুপ বিক্ষোভ করেছে। এসময় গসফোর্ড অ্যাংলিকান চার্চ নামে ওই গির্জায় ধর্মীয় উপাসনায় বাধা দেয় গ্রুপটি।
স্থানীয় সময় রোববার ১০ জনের একটি দল হঠাৎ গির্জার ভেতরে প্রবেশ করে এবং লাউড স্পিকারে কোরআন শরীফের সুরার অডিও বাজাতে শুরু করে। গ্রুপটি নিজেদেরকে দ্য পার্টি ফর ফ্রিডম নামে একটি সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠনটি যেসব ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছে, তাতে দেখা গেছে, মুসলমানদের পোষাক পরে তারা জায়নামাজ বিছিয়ে মুসলমানবিরোধী শ্লোগান দেয়। এক পর্যায়ে তারা হঠাৎ করে গির্জার ভেতরে প্রবেশ করে।
ভিডিওতে এক বিক্ষোভকারীকে বলতে দেখা গেছে, ‘ আমরা আপনাদের সঙ্গে ইসলাম ভাগ করে নিতে চাই-এটা হচ্ছে ভবিষ্যত। এটা হচ্ছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বন্ধু। ইসলামের ভারী পর্দা পড়ছে তা আমরা ফাদার রড, ধর্মসভা এবং আমরা সবসময়ে যে সামাজিক ন্যায়বিচারের কথা শুনে আসছি তার সঙ্গে শেয়ার করতে চেয়েছি।
সংগঠনটির সঙ্গে সিনেট সদস্য পলিন হ্যানসনের অভিবাসন বিরোধী দল ওয়ান নেশন পার্টির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দেশটির সিনেটে দলটির চার সদস্য রয়েছে। তবে এ ঘটনার পরের দিনই এক বিবৃতিতে ওয়ান নেশন পার্টির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পার্টি ফর ফ্রিডমের সঙ্গে তাদের দলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
ডানপন্থীদের অভিযোগ, গসফোর্ড অ্যাংলিকান চার্চ মুসলমানদের পক্ষে কথা বলে এবং এই গির্জাটি মিশ্র সংস্কৃতির সমর্থণ করে।
গির্জার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে পার্টি ফর ফ্রিডমের এ কর্মকাণ্ডকে বর্ণবাদী সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
গির্জার যাজক রড বোয়ার বলেন, ধর্মসভার সদস্যরা ভীত হয়ে পড়েছিলেন। বেশ কয়েকজন সদস্য জ্ঞানও হারিয়ে ফেলিছিলেন।

