
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিজেদের বিমানঘাঁটি ও অন্যান্য স্থাপনার সুরক্ষার কথা বলে ক্রিমিয়ায় নতুন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে বলা হয়েছে, ক্রিমিয়া নিয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে সর্বশেষ বিরোধের আগেই এ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বলে রাশিয়া দাবি করেছে।
স্থানীয় রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোতেও নতুন রুশ ক্ষেপনান্ত্র স্থাপনের বিষয়টি উঠে এসেছে। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, গত মাসেই ক্রিমিয়ায় থাকা রুশ বাহিনীর জন্য এস-৪০০ ট্রায়াম্প ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বরাদ্দ করা হয়েছে।
রাশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইন্টারফ্যাক্স জানায়, এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকা ৪০০ কিলোমিটার দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। পাশাপাশি ৬০ কিলোমিটার দূর থেকে আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে পারে এটি। নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিবেগ সেকেন্ডে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
বিবিসির খবর অনুযায়ী রাশিয়ার তরফ থেকে আগামী সপ্তাহেই ক্রিমিয়ায় গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিরুদ্ধে (ডব্লিউএমডি) নতুন প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার অনুশীলন চালানোর ঘোষণা এসেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া অধিকার করে রাশিয়া। গত মাসেও ইউক্রেনের একটি হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটি। সম্প্রতি ক্রিমিয়ায় এক সেনা ও গোপন পুলিশের সদস্য হত্যার জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করছে রাশিয়া। রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে ইউক্রেনের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে মস্কো। তবে রাশিয়ার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে ইউক্রেন জানায়, ক্রিমিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় তারা সেনা মোতায়েন করেছে।

