অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : মার্চে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছেন ফজলে কবির। এটি চলতি (২০১৬-১৭) অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতি।
মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে গভর্নর মুদ্রানীতিটি ঘোষণা করেন।
সরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির অর্জন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নতুন এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে বলে দাবি করেন গভর্নর।
এ মুদ্রানীতি সংযত ও সংকুলানমূখী উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্তর্ভূক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব মুদ্রা ও অর্থায়ন নীতির ধারাবাহিকতা নতুন ২০১৭ অর্থ বছরের মুদ্রানীতিতেও বজায় রাখা হবে।’
মুদ্রানীতি ঘোষণার শুরুতে গভর্নর বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির টেকসই অন্তর্ভূক্তিমুলক পরিবেশবান্ধব প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের কার্যক্রমের সহায়তার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি পরিমিত ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষে সংযত ও সংকুলানমূখী মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হলো।’
মুদ্রানীতিতে সরকারের বাজেটে ঘোষিত ৭.২ শতাংশ দেশজ উৎপাদন জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও ৫.৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্র অর্জনের লক্ষ্যে বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে বর্ধিত মুদ্রায়নের চাহিদা পুরণে বেসরকারি বিনিয়োগের বিষয়টিতে গুরুত্ত দেয়া হয়েছে। এ জন্য চলতি অর্থবছরের জন্য ব্যাপক মুদ্রার প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন ধরা হয়েছে ১৫.৫ শতাংশ। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রার পরিমাণ বাড়িয়ে ১৬.৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। আগের মুদ্রানীতি এর পরিমাণ ছিল ১৫.৫ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও বাড়িয়ে প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬.৫ শতাশ। আগের মুদ্রানীতে এর পরিমাণ ছিল ১৪.৮ শতাংশ।
গত মে মাসের মধ্যে আগের লক্ষ্যমাত্র অতিক্রম হওয়ায় এই লক্ষ্যমাত্র বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

