ঢাকাMonday , 18 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাট গবেষণা ইনস্টিটউট আইনের (সংশোধিত) খসড়া অনুমোদন

Link Copied!

BJRIনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটউট আইন (সংশোধিত) ২০১৬-এর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (১৮ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমদোন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মাদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এছাড়াও নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া শিথিল করে একটি আইন মন্ত্রিসভা অনুমোদন করে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি ও কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা কার্যক্রমের আধুনিকায়নে আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আইনটি ১৯৭৪ সালে প্রণয়ন করা হয়। এরপরে সামরিক সরকার কয়েকবার সংশোধন হয়। এ প্রেক্ষিতে আইনটি বাংলা ভাষায় আপডেট করে আজকের সভায় উপস্থাপন করা হয়। মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন করেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে (সংশোধিত হয় ১৯৯৬ সালে) প্রতিষ্ঠিত হয় বর্তমান বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
১৯৩৬ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (আইসিজেসি) আওতায় ঢাকায় জুট এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে পাটের গবেষণা শুরু হয়। ১৯৫১ সালে ইন্ডিয়ান সেন্ট্রাল জুট কমিটির (আইসিজেসি) স্থলে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটি (পিসিজেসি) গঠিত হয়। যার সদর দপ্তর ছিল ঢাকায়।
১৯৫১ সালে পাকিস্তান সেন্ট্রাল জুট কমিটির অধীনে পাট গবেষণাগার স্থাপিত হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর পরই পাটশিল্পের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয় সরকার।
১৯৭৪ সালের পাট আইনের আওতায় সে বছরই বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে সে আইনের পবিবর্তন এনে কয়েকটি বিষয় সংযোজন করা হয়।
খসড়া এ আইনে বলা হয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য একটি বোর্ড থাকবে। বোর্ডের সদস্যদের ৫০ শতাংশের উপস্থিতিতে কোরাম হবে।