ঢাকাSaturday , 16 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কর্ণফুলী পেপার মিলে বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ

Link Copied!

CTGনিজস্ব প্রতিবেদক : কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কর্ণফুলী পেপার মিলে (কেপিএম) ইটিপি (তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যে ইটিপি স্থাপনের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ইটিপি বসানোর কাজ সম্পন্ন হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে। ইটিপি স্থাপন সম্পন্ন হলে কেপিএম থেকে আর কোনো তরল বর্জ্য কর্ণফুলী নদীতে নির্গত হবে না বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
কর্ণফুলী পেপার মিল সূত্র জানায়, কেপিএম থেকে যে পরিমাণ তরল বর্জ্য কর্ণফুলী নদীতে পড়ছে তার চেয়ে আরো অনেক বেশি তরল বর্জ্য পড়ছে নদীতীরবর্তী অন্যান্য কারখানা থেকে। কর্ণফুলীর তীরে আরো ৩২টি বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে উঠেছে। সেগুলোর তরল ও অনেক কঠিন বর্জ্য অনবরত নদীতে পড়ছে। কিন্তু সেসব কারখানার বদলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কর্ণফুলী দূষণের জন্য প্রায় সময় এককভাবে কেপিএমকে দায়ী করা হয়।
কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী খান জাভেদ আনোয়ার বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিল কাগজ উৎপাদন করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। বিগত প্রায় ছয় দশক ধরে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছে এই কারখানাটি। কিন্তু নদীদূষণের জন্য যেভাবে কেপিএমকে অভিযুক্ত করা হয়, তা সঠিক নয়। এরপরও কর্ণফুলী পেপার মিল কর্তৃপক্ষ কারখানায় নতুন করে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ইটিপি (তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার) স্থাপন প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করতে সম্প্রতি কেপিএমে আসেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) পরিচালক (উৎপাদন ও গবেষণা) মো. আলতাফ উদ্দিন শেখ। তিনি ইটিপি স্থাপন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মো. আলতাফ উদ্দিন শেখ বলেন, ‘কেপিএম যেমন আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ তেমনি কর্ণফুলী নদীও আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ। একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত হোক, এটা আমরা কোনোভাবেই চাইব না। কর্ণফুলী নদীদূষণ ব্যতিরেকে কেপিএমের কাগজ উৎপাদন সচল রাখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
কেপিএম কর্তৃপক্ষ জানায়, কেপিএম থেকে নির্গত তরল বর্জ্যে কর্ণফুলী নদী কী পরিমাণ দূষিত হচ্ছে, তা পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থা থেকে কেপিএম কারখানাসংলগ্ন কর্ণফুলী নদী থেকে পানি সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় কেপিএম থেকে নির্গত তরল বর্জ্যে অতিমাত্রায় নদীদূষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারপরও কেপিএমের কারণে কর্ণফুলী নদী যাতে সামান্যতম দূষণ না হয়, সে জন্য পেপার মিল অভ্যন্তরে ইটিপি বসানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।