ঢাকাSunday , 19 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কমেনি উৎসে কর, শঙ্কায় ব্যবসায়ী মহল

Link Copied!

garmentsঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক খাতের উৎসে কর ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে পেশাক খাত সংশিষ্ট ৬টি সংগঠন। কিন্তু সংগঠনগুলোর দাবির মুখে উল্টো এ খাতের ব্যবসায়ীদের হয়রানির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বেশ কিছু বাড়তি ঝামেলা চাপিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ ব্যবসায়ী নেতাদের। এতে করে দ্রুতই তৈরি পোশাক খাত হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর শঙ্কা।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত বিজিএমইএ ভবনে বিজিএমইএ, বিটিএমএ, বিকেএমইএ, বিটিটিএলএমইএ, বিজিএপিএমইএ, বিইওডব্লিউআইওএ যৌথভাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘২০০৯-১০ অর্থবছরে উৎসে কর ছিল দশমিক ২৫ শতাংশ। ২০১৪-১৫ তে এটি বাড়িয়ে দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ২০১৫-১৬ সালে দশমিক ৬০ শতাংশ করা হয়। নতুন অর্থবছরে এটি ১ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এটা একটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরই বাড়াতে হবে, এটা তো হতে পারে না। এর পেছনে কোনোরূপ যৌক্তিকতা নেই। বরং এতে করে সঙ্কটের মধ্য দিয়ে চলতে থাকা পোশাক খাত আরও বড় ধরনের সমস্যায় পড়বে। কারণ, উৎপাদনের ওপর তো কোনো কর হতে পারে না, সেটা সরকার লাভের ওপর থেকে নিতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘একটি কারখানা শ্রমিকদের মজুরি দেয়া, বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা, পরিবহন খাতে ব্যয় করার পর মূলত ৩ শতাংশ মুনাফা অর্জন করতে পারে। সেই কারখানার জন্য ১ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন অত্যন্ত কঠিন। এটা প্রয়োগ করা হলে নিট ও ওভেন খাতে অধিকাংশ কারখানগুলো ব্যবসায় টিকে থাকতে পারবে না। রপ্তানিমুখি শিল্প ও বিনিয়োগে আগ্রহী উদ্যোক্তারা চরমভাবে নিরুৎসাহিত হবেন। যাতে করে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে।’
বিজিএমইএ’র সভাপতি বলেন, বাজেটে আমাদের প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করার পরিবর্তে কিছু অতিরিক্ত ঝামেলা আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ‘অর্থ আইন-২০১৬’ তে কাস্টম অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর সেকশন ১৫৬(৫) এবং (৫৯) এর সংশোধনীতে শুল্ক কর্মকর্তাগণকে কোনো অপরাধের তদন্তের ক্ষেত্রে ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরকে যেরূপ তদন্তের পদ্ধতি ও ক্ষমতা দেয়া আছে, তা সন্নিবেশিত হয়েছে।’ এতে করে এ খাতের ব্যবসায়ীদের আরো বেশি হয়রানির শিকার হতে হবে বলে জানান তিনি।
এফবিসিসিআই’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শহিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘প্রতিবছর এ করের আওতা না বাড়িয়ে একটা লং টার্ম পলিসি থাকা উচিত। তা না হলে শিল্প বিনিয়োগে উদ্যেক্তারা নিরুৎসাহিত হবেন। আমাদের ওপর এমন কিছু চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবে না- যাতে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ভীতি কাজ করে।’
বিটিএমইএ’র সভাপতি সেলিম ওসমান বলেন, ‘শ্রমিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মোট কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে হলেও বর্ধিত উৎসে কর বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি আসলাম সানি, বিটিএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলুল হক, বিটিটিএলএমইএ’র চেয়ারম্যান হোসাইন মাহমুদ ও বিজিএপিএমইএ’র ২য় সহ-সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসাইন মতি প্রমুখ।