নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ব্যংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরিতে দায় সুইফট এড়াতে পারে না বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাস উদ্দিন জমা দেয়া প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ মন্তব্য করেন তিনি। রোববার (১৫ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্রিফ করেন অর্থমন্ত্রী।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রকাশিত প্রতিবেদনের মতো অর্থমন্ত্রীও দুই দেশের হ্যাকারদের দিকে ইঙ্গিতও করেছেন।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, তদন্তকারীরা রিজার্ভ চুরির সাথে তিনটি হ্যাকার চক্রের সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন। ৩টি দলের মধ্যে একটি পাকিস্তানের, অপরটি উত্তর কোরিয়ার। তৃতীয় দলটির পরিচয় সম্বন্ধে তদন্তকারীরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।
হ্যাকাররা রিজার্ভ চুরির ক্ষেত্রে সুইফটের ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার ‘অ্যালায়েন্স একসেস’ থেকে ভুয়া মেসেজ পাঠানোর পর তার ট্র্যাক মুছে ফেলতে যে ম্যালওয়্যার চোরেরা ব্যবহার করেছিল, তা তৈরিও হয়েছে এই দুই দেশের যে কোনো একটিতে জানিয়েছেন আবদুল মুহিত। তবে কোন দেশে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি।
তিনি বলেছেন, ‘এই ম্যালওয়্যার পরিকল্পিতভাবেই বসানো হয়েছে।’
এ ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তবে তারা ‘অসাবধান, অসতর্ক ও অজ্ঞ’ ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

