ঢাকাFriday , 13 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় সুন্দরবনে আগুন

Link Copied!

sundarbonবাগেরহাট প্রতিনিধি : তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ বলেছেন, ‘সুন্দরবনকে গুরুত্বহীনভাবে দেখা এবং সরকারের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই বার বার সুন্দরবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।’
শুক্রবার বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আয়োজিত আঞ্চলিক প্রতিনিধি সভায় তিনি এ কথা বলেন। সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাট, খুলনা, বরিশাল, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও যশোর জেলার নেতারা সভায় বক্তব্য দেন।
আনু মোহাম্মদ আরো বলেন, ‘রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হওয়ার কারণে যেসব জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের সংগঠিত করতে জনসংযোগ করা হবে। সরকারকে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আগামী ১৫ মে পর্যন্ত সুন্দরবনের কাছে বাগেরহাটের রামপালে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ থেকে সরে আসতে সময় বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু সরকার তা না করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আগামী ১৭ মে ঢাকা থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আরও বলেন, ‘রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের প্রতি জনগণের কোনো সমর্থন নেই। সরকারকে সুন্দরবন বিধ্বংসী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ করতে আবারও আহ্বান জানানো হচ্ছে। এখনও সময় আছে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। তা না হলে আমরা আঞ্চলিক, জাতীয় এমন কি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আন্দোলন গড়ে তুলবো।’
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সরদার রুহিন হোসেন প্রিন্স, ফিরোজ আহমেদ, কল্লোল মোস্তফা, বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সদস্য সচিব ফররুখ হাসান জুয়েল প্রমুখ।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার কৈর্গদাসকাঠি-সাপমারী মৌজায় এক হাজার ৭৩৬ একর জমির ওপর ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ নির্মাণ করছে যৌথভাবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার কোম্পানি।