নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, ‘এ ধাপেও কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। তবে ভোটে অনিয়ম হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যবস্থার কারণে সহিংসতা ও গোলযোগের ঘটনা কিছুটা কমেছে। আশা করি, আগামী ধাপে অনিয়ম ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভোট হবে।’
শনিবার সন্ধ্যায় ইসি সচিবালয়ের মিডিয়া সেন্টারে চতুর্থ ধাপের ভোট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটে গোলযোগ-সহিংসতা কোনোভাবে কাম্য নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আজ যেসব ঘটনা ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করলে মনে হয় না-আমরা আগের তুলনায় পিছিয়েছি। বরং গোলযোগ কমে এসেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থী ও সমর্থকদের বলছি- ধৈর্য ধরেন। কারো মাথায় বাড়ি মেরে বা নিজেদের মধ্যে হানাহানির প্রয়োজন নেই। আইনের আশ্রয় নেয়ার সুযোগ আছে।’
‘অনিয়ম-সহিংসতায় ইসি নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে’ বিএনপি ও অন্যান্য মহলের এমন অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা মোটেও নির্লিপ্ত নই। কেউ অনিয়ম করে পার পাবে না। সহিংসতার ঘটনা যেখানে ঘটছে মামলা করা হচ্ছে, অনেককে ধরা হচ্ছে। যেখানেই অনিয়ম হয়েছে সেখানেই তদন্ত করে বিচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘ভোটের সময় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার কারণে আগের তুলনায় চতুর্থ ধাপে সহিংসতা ও গোলযোগ কিছুটা কম হয়েছে। এছাড়া, অনিয়ম ও নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত হওয়ায় ৫১টি ভোটকেন্দ্রের ভোট বন্ধ করা হয়েছে। আরও প্রতিবেদন এলে এ সংখ্যা বাড়বে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এখনো মাঠে আছে। ভোট পরবর্তী সহিংসতাও যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সজাগ আছি। আশা করছি, আগামীতে অনিয়ম ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ভোট করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
সিইসি জানান, ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি ছিল এ ধাপেও। পরবর্তী দুই ধাপের ভোটেও স্বতস্ফূর্তভাবে ভোটাররা কেন্দ্রে যাবেন বলে আশা করছেন সিইসি।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ, মো. শাহনেওয়াজ ও ইসি সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

