নিউজ ডেস্ক : নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গো ফ্লাইট কবে থেকে চালু হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ২৯ এপ্রিলের পর। এদিন একটি প্রতিনিধি দল শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসবে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত জানাবে যুক্তরাজ্য।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
অপর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণ দেখিয়ে গত ৯ মার্চ ঢাকা থেকে যুক্তরাজ্যে সরাসরি কার্গো ফ্লাইট চলাচল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য। কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রও একই সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত হলে পুনরায় কার্গো ফ্লাইট চালু করা হবে। চিঠির মাধ্যমে সে দেশের সরকার জানিয়েছে, আমাদের গৃহিত পদক্ষেপে তারা সন্তুষ্ট। নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আগামী ২৯ এপ্রিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি প্রতিনিধিদল শাহজালাল বিমানবন্দর পর্যবেক্ষণে আসবে। তাদের প্রতিবেদনের উপরই কার্গো ফ্লাইট চালুর বিষয়টি নির্ভর করছে।’
তিনি বলেন, পৃথিবীব্যাপী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশসহ ১৮টি দেশের ৩০টি বিমানবন্দরেই পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। কার্গো ফ্লাইট চালুর জন্য ব্রিটিশ সংস্থা কনসালটেন্সি হিসেবে রেডলাইনকে নিয়োগ করেছে সরকার। রেডলাইনের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হয়ে উঠলে যে কোনো সময়ই তাদের সঙ্গে চুক্তি শেষ করে দেয়া যাবে বলে জানান মন্ত্রী।
এদিকে ব্রিটিশ সংস্থাকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগের পাশাপাশি মার্কিন একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল বিমানবন্দরের কাজও দেয়া হয়েছে।
তবে এতোকিছুর পরও কার্গো চলাচল শিগগিরই শুরু হবে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিতে মারাত্মক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়িরা।

