পাঞ্জেরী ডেস্ক : বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ৫০ নেতার তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দশম স্থানে আছেন। এতে শুধু নারীদের মধ্যে তিনি আছেন পঞ্চম স্থানে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সাং সুচির পরেই রয়েছেন শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফরচুন’। ব্যবসা, সরকার, মানবসেবা ও শিল্পকলা এবং সারা বিশ্বের নারী ও পুরুষদের অনুপ্রাণিত করতে অবদান রাখায় ফরচুন সাময়িকী প্রতি বছর এই তালিকা করে করে থাকে।
প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনাকে তালিকায় স্থান দেওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একমাত্র নারী নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে ইসলামী ঐতিহ্য ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। এ ছাড়া নারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা, শিক্ষায় আরো সহায়তা দেওয়া, আর্থিক স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে তিনি কাজ করছেন বলে প্রভাবশালী ওই সাময়িকীতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য ‘ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট লিডার’ শিরোনামে ২০১৬ সালের এই তালিকায় শীর্ষ ৫০ জন নেতার মধ্যে ২৩ জনই নারী। সাময়িকীটির মতে ‘গেম-চেঞ্জিং’ ভূমিকার জন্য শীর্ষ ৫০ নেতার তালিকায় স্থান পেয়েছেন তাঁরা।
এই তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন আমাজানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেফ বিজোস। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছেন- জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, মিয়ানমারের এনএলডির নেতা অং সান সু চি, রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস, অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টিম কুক, শিল্পী ও ‘শো মি’ ক্যাম্পেইনের জন লিজেন্ড, জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জের নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টিনা ফিগার, যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার পল রায়ান, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সহযোগী বিচারক রাথ বাদের জিন্সবার্গ ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এবারের তালিকায় রেকর্ড ২৩ জন নারীর স্থান পাওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, এ বছরের নারী নেতাদের মধ্যে সরকার, ব্যবসা-বাণিজ্য, নানা কাজে সক্রিয় এবং অলাভজনক কাজে নারীদের অন্তর্ভুক্তিই অন্যতম কারণ।

