আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাক এবং সিরিয়া থেকে ভূমধ্য সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রীসে আসা শরণার্থীদের নিয়ে কঠিন সঙ্কটে পড়েছে ইউরোপ। কিভাবে এই স্রোত থামানো যায় সেজন্য অনেক দিন ধরেই চলছে দেন দরবার। এ উদ্দেশ্যে আজ বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে একটি জরুরী বৈঠক করছেন ইউরোপের নেতারা।
শরণার্থীদের প্রবেশ থামাতে তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সাহায্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু তারা শর্ত দিয়েছে, এই সাহায্যের বিনিময়ে সেনজেন চুক্তির অধীনে তুর্কি নাগরিকদের ইউরোপের বাকি দেশগুলোতে ভিসা ছাড়া প্রবেশাধিকার দিতে হবে। তবে এই শর্তে ইইউ দেশগুলো আপত্তি জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কিছুদিন আগে ইইউ নেতারা তুরস্কের সাথে একটি আলোচনা করেছিলেন। সেই আলোচনার সূত্র ধরেই এবারের বৈঠক। বোঝাপড়ার পর চুক্তি হলে তুর্কি উপকূল থেকে অভিবাসীরা যাতে গ্রিসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হতে না পারে, সেটা তারা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।
এছাড়াও অবৈধভাবে গ্রীসে যাওয়া অভিবাসীদের তুর্কি ফেরত নেবে। যে কয়জন শরণার্থী তুর্কি ফেরত নেবে তার বদলে তুর্কির বিভিন্ন শরণার্থী শিবির থেকে সমান সংখ্যক শরণার্থী বৈধ উপায়ে নিয়ে নেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
কিন্তু এই চুক্তিতে কিছু জটিলতা রয়েছে। যেমন, জাতিসংঘ বলছে, গ্রিস থেকে যদি জোর করে অভিবাসীদের তুর্কিতে ফেরত আনা হয় তাহলে তাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন হবে।
তবে এই জটিলতা ছাড়াও চুক্তি করার জন্য তুর্কি ইইউয়ের কাছ থেকে যে বাড়তি সুবিধা আদায় করতে চাচ্ছে তাতে বেশিরভাগ ইউরোপীয় দেশই সম্মত হবে না।

