ঢাকাFriday , 18 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রানী নেফারতিতির সমাধিতে ‘জৈব পদার্থের’ খোঁজ

Link Copied!

nefartitiআন্তর্জাতিক ডেস্ক : পুরাতত্ত্ববিদরা প্রাচীন মিশরের রানী নেফারতিতির সমাধির খোঁজ করছেন বহুদিন ধরে। কিন্তু কিছুতেই খোঁজ পাননি। কিছুদিন আগে বিশেষজ্ঞরা সম্রাট তুতেনখামেনের সমাধির ভেতরেই তার গোপন কবরের কিছু ইঙ্গিত পেয়েছিলেন। সেই অনুসন্ধানের সূত্র ধরে এই সমাধির ভিতরে ফাঁপা জায়গার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গেছে এবং সেখানে সাম্ভাব্য জৈব পদার্থ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মিশরীয় অনুসন্ধানকারীরা।
এ বিষয়ে মিশরের পুরাকীর্তি বিষয়ক মন্ত্রী মামদো এল দামাতি জানিয়েছেন, গত নভেম্বরে রাডার স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে সমাধির ভেতরের আরেকটি কবরের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল। যে কারণে আমরা আরো অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। অনুসন্ধান শেষে আমরা আরো নতুন কিছু জানতে পারবো।’
নভেম্বরের অনুসন্ধান সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ইতমধ্যে ৯৯ ভাগ নিশ্চিত যে এখানেই নেফারতিতিকে সমাধিস্ত করা হয়েছিল। তবে আমরা শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো না।’
পুরাকীর্তির গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের মিশরীয় ইতিহাসের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কেবল মিশরের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের জন্যই এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা কারণ নেফারতিতির এই অমীমাংসীত রহস্য এখনো মানুষকে ধাঁধায় ফেলে রেখেছে।’
এই ব্যাপারটি ব্রিটিশ গবেষক নিকোলাস রিভসের নজরে আসে সর্বপ্রথম। তিনি বলেছেন, আনুমানিক তিন হাজার বছর আগে ১৯ বছর বয়সী তুতেনখামেনকে সমাধিস্ত করা হয়েছিল। সেই সময়ে হয়তো ঐ একই সমাধিতে তুতেনখামেনের মা নেফারতিতিকেও সমাধিস্ত করা হয়েছিল। সমাধির ভিতরে পাওয়া এই অদ্ভুত দর্শন বস্তুগুলোই ইঙ্গিত করে যে হয়তো সমাধিটি ভিতর থেকে প্রাসারিত করা হয়ে থাকতে পারে। যেখানে পরবর্তীতে নেফারতিতিকে সমাধিস্ত করা হয়।
তবে তার এই তত্ত্ব মিশরীয়রা খুব সতর্কতার সাথেই গ্রহণ করেছে। কারণ আর কোনোভাবেই নেফারতিতির কবর গায়েব হওয়ার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। কেউ কেউ মনে করেন নেফারতিতির এই সমাধিতি ১৮৯৮ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। এখনো পর্যন্ত এই সমাধিস্থলে প্রায় ২ হাজার বস্তু অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে। বস্তুগুলো বরাবরই একটি নির্দিস্ট সমাধি থেকে পাওয়া যাওয়ায় মানুষ ধাঁধায় পড়ে গেছে।