ঢাকাTuesday , 15 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন হাথিন কিয়াউ

Link Copied!

hathin-kiwaoআর্ন্তজাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের পার্লামেন্ট সদস্যরা মঙ্গলবার অং সান সুচির ঘনিষ্ঠভাজন হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দলের প্রবীণ নেতা হাথিন কিয়াউ-কে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন। গত ৫০ বছরের বেশি সময় পর তিনিই হলেন দেশটির প্রথম বেসামরিক প্রেসিডেন্ট। এর আগে সামরিক বাহিনীর নেতারা এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মঙ্গলবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন হাথিন কিয়ান। এদের মধ্যে একজন ছিলেন নিজ দল এনএলডি’র নেতা। অন্যজনকে মনোনীত করেছিল দেশের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর নেতারা। পার্লামেন্টের ৬৫২ সদস্যের মধ্যে তার পক্ষে ভোট দিয়েছেন মোট ৩৬০ জন সাংসদ। সামরিক নেতাদের মনোনীত প্রার্থী মিয়েন্ত সিউ পেয়েছেন প্রায় ২শ ভোট। এনএলডি দলের অন্য প্রার্থী হেনরি ভান থিও পেয়েছেন মাত্র ৭৯ ভোট। তবে ভোটাভুটিতে হেরে যাওয়া ওই দুইজন কিয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।
অং সান সুচির দল এনএলডি গত ৮ নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে জয় পাওয়ার পরই শুরু হয়েছিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তোড়জোড়। সাংবিধানিক জটিলতার কারণে দলের প্রধান হয়েও সুচি যে প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। তখন তিনি প্রেসিডেন্টের উর্ধ্বে থেকে দেশ পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে কীভাবে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করবেন সে ব্যাপারে খোলাসা করে তিনি কিছু বলেননি।
পরে তিনি তার একান্ত সহযোগী ও শিশুবেলার বন্ধু হাথিন কিয়াওসহ দলের দুই নেতাকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত করেন। নতুন প্রেসিডেন্ট কিয়াও একসময় সুচির গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি মিয়ানমারের জাতীয় কবি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রাতিষ্ঠানিক সদস্যের পুত্র। গত সপ্তাহের আগ পর্যন্ত মিয়ানমারের বেশিরভাগ মানুষ তার নাম জানত না। এমনকি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করার আগে অনেকে তো তাকে চোখে পর্যন্ত দেখেননি।
হাথিন কিয়াও রেঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমান নাম ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে গ্রাজুয়েট করেছিলেন। মিয়ানমারে প্রথম দিকে যারা স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তাদের অন্যতম এই নেতা। পরে তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সাইন্সের ওপর পড়াশোনা করেন। ১৯৭৫ সালে দেশে ফিরে তিনি প্রোগামার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। একজন সৎ ও সাহসী মানুষ হিসেবে দলে তার খ্যাতি রয়েছে।