নিজস্ব প্রতিবেদক : কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, দুদকের কোনো কর্মকর্তা যদি দুর্নীতি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেছেন, ‘আমি চেষ্টা করব আগে আমার নিজের ঘর ঠিক করতে। দুদকের মধ্যে যদি কোনো দুর্নীতি থাকে সেটা মুক্ত করব। দুর্নীতিবাজদের জন্য দুদক হবে আতঙ্ক।’
সোমবার (১৩ মার্চ) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় দুদকের নতুন কমিশনার (তদন্ত) এ.এফ.এম আমিনুল ইসলাম, কমিশনার (অনুসন্ধান) নাসিরউদ্দিন আহমেদ, দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল, বিভিন্ন বিভাগের মহাপরিচালক, পরিচালকসহ দুদকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘কাজের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এগুলো নিশ্চিত করতে হবে। সবার অংশগ্রহণে দুদকের কাজ হবে পরিচ্ছন্ন। পদোন্নতি হবে কাজের ওপর মূল্যায়ন করে। দুদক হবে দুর্নীতিবাজদের জন্য আতঙ্কের নাম। আর যারা দুর্নীতি করে না তাদের জন্য দুদক হবে বটবৃক্ষ।’
এ সময় দুদকের কর্মকর্তারা হাততালি দিয়ে তাকে সমর্থন করেন। দুদকের নতুন এ চেয়ারম্যান বলেন, ‘হাততালি দিবেন না প্লিজ, আমি হাততালি পছন্দ করি না, ফুল নেয়া পছন্দ করি না। কোনোভাবে ওয়েলিং আমার পছন্দ না। আপনারদের যদি কোনো আমার ব্যাপারে সমালোচনা-আলোচনা করার থাকে, তাহলে সামনে এসে করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
তিনি মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটা সত্য যে এ প্রতিষ্ঠানে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আছে। সেটা যেন না থাকে সে চেষ্টা থাকবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮০০ কোটি টাকা চুরির বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুদক একটি স্বাধীন কমিশন। যেখানে হবে দুর্নীতি হবে সেখানেই যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও র্যাব বিষয়টি তদন্ত করছে। আমরা বিষয়টি নজর রাখছি।’
এ সময় দুদকের নতুন কমিশনার এ. এফ. এম. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি। দুর্নীতি প্রতিরোধে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ তিনি দুদকের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান

