ঢাকাSaturday , 5 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এ বছরের মধ্যেই জিকার প্রতিষেধক

Link Copied!

jikaঅান্তর্জাতিক ডেস্ক : বর্তমান বিশ্বের একটি আতঙ্কের নাম ‘জিকা’ ভাইরাস । এই রোগে আক্রান্ত হলে তার যেমন কোনো চিকিৎসা নেই, তেমনি নেই প্রতিষেধকও। তবে এবার আশার বানী শুনিয়েছেন মার্কিন সরকারের গবেষণার কর্মসূচির দায়িত্বপ্রাপ্ত এক গবেষক। তিনি জানান, জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে একটি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ ইতিমধ্যে বেশ এগিয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর এ বছরের মধ্যেই তা ব্যবহার করা যাবে বলে মনে করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ গবেষণা বিষয়ক জাতীয় প্রতিষ্ঠান ‘এলার্জি এবং ইনফেকসাস ডিজিজ’র গবেষক ড. এন্থনি ফাউসি বলছেন, ‘আশা করি আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিনটির ব্যবহার শুরু করতে পারবো।’ তিনি বলেন, এটা মূলত একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রতিষেধক যা জিকায় আক্রান্ত রোগীদের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে। তবে এটি এখানো বিতরণ করা যাবে না বলে জানান তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিষেধক গবেষণা কেন্দ্রের উপপরিচালক ড. বর্নি গ্রাহাম বলেন, ‘আসলে আমরা জিকা সম্পর্কে যা জানি তা যথেষ্ট নয়। তবে ‘ফ্ল্যাভিভাইরাস’ বিষয়ে আমাদের যথেষ্ট ধারণা রয়েছে। আর জিকা একটি অন্যতম ‘ফ্ল্যাভিভাইরাস।’ সেদিক থেকে আমরা আশাবাদী।’ উল্লেখ্য, বার্ড-ফ্লু, ইবোলা, এইটআইভি ইত্যাদি রোগ ফ্ল্যাভিভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।
জিকা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘এই ভাইরাসটি খুব তাড়াতাড়ি তৈরি হয়েছে এমন নয়। এটি ধীরে ধীরে আজকের অবস্থানে এসেছে। আমরা মনে করি, ভাইরাসটি ৭০ থেকে ৮০ বছর ধরে বেড়ে ওঠা কোন ভাইরাস।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি রয়েছে। আমরা আশা করি, এইচআইভি, বার্ড ফ্লু ও ইবোলার প্রতিষেধকের মতো কোনো প্রতিষেধক তৈরি করতে সক্ষম হবো আমরা।’
উল্লেখ্য, এর আগে এই ইন্সটিটিউটটি ইবোলার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অবদান রেখেছিল। বর্তমানে তারা বিশ্বের অন্যতম আতঙ্কের নাম এই জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে। সম্প্রতি চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা জানিয়েছে, মশা বাহিত এই ভাইরাসটি দ্বারা গর্ভবতী মায়েরা আক্রান্ত হলে শিশু বিকৃত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মাতে পারে।