ঢাকাWednesday , 2 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অরণি-আলভির বাবা-মাকে আনা হচ্ছে ঢাকায়

Link Copied!

Aroni-Alviনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বনশ্রীতে নিহত দুই ভাই-বোন অরণি-আলভির বাবা আমান উল্লাহ মালেক ও মা মাহফুজা মালেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জামালপুর থেকে ঢাকা আনা হচ্ছে। জামালপুর সদরে মঙ্গলবার রাতে দুই সন্তানের দাফন শেষে তাদের একদফা জিজ্ঞাসাবাদ করে স্থানীয় র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। আরো বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের এখন ঢাকায় আনা হচ্ছে।
র‌্যাবের একটি সূত্র এ খবর জানিয়েছে। ঢাকায় আনার পর তাদের নিয়ে যাওয়া হবে র‌্যাব-৩ এর কার্যালয়ে।

এর আগে মৃত সন্তানদের হাসপাতালে রেখে বাবা-মা পালিয়ে গেছেন বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছিলো তা পুরোটাই গুজব ও বানোয়াট বলে জানিয়েছেন বাবা আমানউল্লাহ মালেক।
মঙ্গলবার রাতে অরণি-আলভির দাফন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি ব্যবসার কাজে বাইরে ছিলাম। পরে স্ত্রীর ফোন পেয়ে বাসায় এসে দেখি অরণি-আলভি গুরুতর অসুস্থ। আমি তাৎক্ষণিকভাবে প্রথমে আল রাজি হাসপাতালে ও সেখান থেকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।’
হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমরা পালাইনি, ভয় পেয়েছিলাম। ঢামেক কর্তৃপক্ষ ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমরা ভয় পেয়ে যাই। তখন ময়নাতদন্তের বিষয়টি আমার স্ত্রী (মাহফুজা মালেক) সহ্য করতে পারবে না বলে তাকে নিয়ে আমি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসি। সেখানে আমাদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো শত্রু নেই। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে সরকারের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে অরনি-আলভির লাশ জামালপুর কলেজ রোড এলাকার নতুন হাইস্কুল মোড়ে তার নানার বাড়িতে পৌঁছায়। এর পর রাত ৯টায় জানাজা শেষে সোয়া ৯টার দিকে জামালপুর পৌর গোরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে রাজধানীর রামপুরার বনশ্রীতে দুই ভাই-বোন নিহতের ঘটনায় একজন গৃহশিক্ষিকা, বাড়ির দারোয়ান ও নিহতদের এক স্বজনসহ মোট ৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে র‌্যাব ও পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে এবং সোমবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- দুই ভাই-বোন অরণি ও আলভির গৃহশিক্ষিকা শিউলি, ওই বাসার দারোয়ান পিন্টু এবং নিহতের এক স্বজন।
এর আগে যে রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে দুই ভাই-বোন মারা গেছে বলে পরিবার থেকে বলা হয়েছিল, সে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ও প্রধান বাবুর্চিসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন- ম্যানেজার মাসুদ রহমান, প্রধান বাবুর্চি আসাদুজ্জামান রনি ও তার সহযোগী আতাউর রহমান।
উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকেলে বনশ্রীর ৪ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাসায় দুই আপন ভাই-বোন সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশরাত জাহান অরণি (১৪) ও হলি ক্রিসেন্ট স্কুলের নার্সারির শিক্ষার্থী আলভি আমানের (৬) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।