ঢাকাMonday , 22 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিদেশি কর্মীদের বৈধতা চান মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীরা

Link Copied!

workerপাঞ্জেরী ডেস্ক : বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বিদেশি কর্মীদের ধরপাকড় না করে কাজ করার সুযোগ করে দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটির মাস্টার বিল্ডারর্স অ্যাসোসিয়েশন।

দেশটির স্টার অনলাইন জানিয়েছে, সোমবার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এ কে নাথান বলেছেন, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, কৃষি, উৎপাদন এবং নির্মাণ খাতে নিয়োজিত অধিকাংশ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই।

তিনি বলেন, ‘বিদেশিদের অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় আসা কোনোভাবেই উৎসাহিত করা যাবে না। অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে উল্লেখ করে এ ব্যবসায়ী নেতা বলেন, নিয়মকানুন সহজ হলে অবৈধরা নিজেদের বৈধ করে নেয়ার সুযোগ পাবে।’

সরকারি-বেসরকারি হিসাবে, মালয়েশিয়ায় ২০ লাখেরও বেশি বিদেশি কর্মী বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় কাজ করছে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী, দেশটিতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ ইন্দোনেশিয়ার, ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ নেপালের, ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ বাংলাদেশের, ৬ দশমিক ৯ শতাংশ মিয়ানমারের, ৫ দশমিক ১ শতাংশ ভারতের, ৩ দশমিক ১ শতাংশ ফিলিপাইনের, ২ দশমিক ৫ শতাংশ পাকিস্তানের, শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ থাইল্যান্ডের এবং অনান্য দেশের ৪ দশমিক অন্যান্য দেশের।

এ কে নাথান বলেন, ‘বিদেশি কর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা সৃষ্টি করবে, বিশেষ করে নির্মাণ খাতে কর্মী হিসেবে স্থানীয়দের আগ্রহ কম। বিদেশি কর্মী ছাড়া মালয়েশিয়ার নির্মাণ খাত এগিয়ে নেয়া অসম্ভব।’ বিদেশি কর্মী ছাড়া ব্যবসায়ীরা এ খাতে কোনো প্রকল্প নেয়ার কথা ভাবতে পারেন না বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় কর্মী নিয়োগ বাড়াতে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এ কে নাথান বলেন, ‘উদ্যোক্তারা তো স্থানীয় কর্মী পাচ্ছেন না।’

‘আমরা সমাধান চাই, সমস্যা বাড়াতে চাই না’ বলে জানান ব্যবসায়ী এ নেতা। বলেন, ‘ঠিকাদাররাও নিয়ম মেনে কাজ করতে আগ্রহী, সেজন্য সরকারের উচিত এ প্রক্রিয়া সহজ করা।’

উল্লেখ্য, শুক্রবার দেশটির উপ প্রধানমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদি বিদেশি কর্মী স্থগিত করার ঘোষণা দেন। কত শ্রমিক প্রয়োজন সে বিষয়ে সরকার সন্তোষজনক তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ থেকে তিন বছরে ১৫ লাখ কর্মী নিয়োগে সমঝোতা চুক্তির পরদিন এ ঘোষণা দেন ড. হামিদি। ঢাকা সফরে এসে আগের দিন বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলামের সঙ্গে কর্মী নিয়োগে এ চুক্তি সই করেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী রিচাড রায়ট।