ঢাকাFriday , 12 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্যারোলিনা ও নেভাদায় জরিপে এগিয়ে হিলারি

Link Copied!

HILARIআন্তর্জাতিক ডেস্ক : তৃতীয় দফায় দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও নেভাদায় প্রাইমারি ভোটে কে জিততে পারেন? জয় পেতে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট পদে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়নপ্রত্যাশি হিলারি ক্লিনটন ও বার্নি স্যানডার্স। লাতিন আমেরিকান ও কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এ দুই রাজ্যে জনমত জরিপে এগিয়ে হিলারি ক্লিনটন। সমর্থন আদায়ে মরিয়া প্রতিপক্ষ স্যানডার্সও।

নেভাদায় ডেমোক্র্যাট দলের ভোটাভুটি ২০ ফেব্রুয়ারি। দক্ষিণ ক্যারোলিনায় অনুষ্ঠিত হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। একইভাবে দক্ষিণ ক্যারোলিনায় প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের প্রাইমারি এ ভোটাভুটি হবে ২০ ফেব্রুয়ারি এবং নেভাদায় ২৩ ফেব্রুয়ারি।

আইওয়ায় মনোনয়ন প্রতিযোগিতার প্রথম ভোটে সামান্য ব্যবধানে হিলারি এবং নিউ হ্যামশায়ারে দ্বিতীয় দফা ভোটে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটে জিতেছেন স্যানডার্স। ফলে এ দুই রাজ্যে জিতে দুই মনোনয়নপ্রত্যাশি চাইছেন প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে। সাধারণের জীবনমান উন্নয়নে নিজেদের পরিকল্পনা ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন দুই প্রতিদ্বন্দ্বী।

বেসরকারি টেলিভিশন এসবিসি, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পরিচালিত জনমত জরিপে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর ৭৪ শতাংশ সমর্থন করেন হিলারি ক্লিনটনকে। অন্যদিকে এই জনেগোষ্ঠীর মাত্র ১৭ শতাংশ সমর্থন করেন বার্নি স্যানডার্সকে। গত বৃহস্পতিবার রাজ্যের কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাস (সিএসবি) বৈঠক করে হিলারি ক্লিনটনের প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছে। প্রকাশ্যে এ সমর্থনে হিলারির প্রচারণা পেয়েছে নতুন গতি।

সিবিএ চেয়ারম্যান বাটারফিল্ড বৃহস্পতিবার বলেছেন,‘আমাদের এমন একজন প্রেসিডেন্ট দরকার যিনি বর্ণবৈষম্যের যন্ত্রনা বুঝতে পারেন। এ বৈষম্য নতুন করে জানবেন এমন কাউকে আমরা ওই পদে দেখতে চাই না।’

কৃষ্ণাঙ্গ ভোট নিশ্চিত করতে বার্নি স্যানডার্স গত বুধবার নিউ ইয়র্কে সিভিল রাইটস নেতা রেভারেন্ড আল সার্পটনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে কোন প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছেন জানতে চাইলে কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান সার্পটন। প্রচারণায় বার্নি স্যানডার্স বলেছেন, ‘অর্থনৈতিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ কমাতে সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নির্বাচনী প্রচারণায় হিলারি ক্লিনটন বলেছেন, ‘এ অঞ্চলের জনগনের জীবনমান উন্নয়নে ওবামা প্রশাসনের নীতি অনুসরণ করা হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী স্যানডার্সের দেয়া স্বাস্থ্যসেবা ও বিনা বেতনে উচ্চ শিক্ষার সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে হিলারি বলেন, ‘আমাদের এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়া উচিত নয় যা নির্বাচিত হলে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।’

অভিবাসন নীতি নিয়ে দুই প্রার্থীর অবস্থান অভিন্ন। অবৈধ এ অভিবাসীদের বের করে দেয়ায় ওবামা প্রশাসনের নীতির কঠোর সমালোচনা করেন দু’প্রার্থী। একইভাবে বিরোধী রিপাবলিকান দলের অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করেন হিলারি ও স্যানডার্স। প্রচারণায় তারা বলেছেন, নির্বাচিত হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশিকে নাগরিক করে নেবেন।

আগামী জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় দলীয় সম্মেলনে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানরা প্রেসিডেন্ট পদে নিজেদের প্রার্থী চুড়ান্ত করবে। হোয়াইট হাউজ বাসিন্দা হিসেবে আগামী চার বছরের জন্য কে নির্বাচিত হবে তা ঠিক হবে আগামী নভেম্বরে।