ঢাকাThursday , 11 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মার্চে মস্কো যাচ্ছেন সৌদি বাদশাহ

Link Copied!

Soudi Badsawআন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি বাদশাহ সালমান আগামী মাসের মাঝামাঝিতে মস্কো সফরে যাচ্ছেন বলে ক্রেমলিনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে তিনি কি এজেন্ডা নিয়ে এ সফরে যাচ্ছেন তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বস্ত মিত্র বাদশাহ সালমানের এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্রেমলিনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রুশ প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভের বরাত দিয়ে বুধবার বাদশাহ সালমানের সফরের খবর জানিয়েছে রুশ বার্তা সংস্থা রিয়া। যদিও রিয়া বলছে, তার এ সফরের আলোচ্যসূচি বা এজেন্ডা এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে ধারণা করতে অসুবিধা হয় না যে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বাদশাহ সালমানের বৈঠকে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধই প্রাধ্যন্য পাবে।
এদিকে বুধবার রাতে এক অজ্ঞাতনামা পশ্চিমা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী পহেলা মার্চ থেকে সিরিয়ায় একটি অস্ত্র বিরতি শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। তবে মস্কোর পক্ষ থেকে এ খবরের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এই উভয় দেশ সিরিয়া সংঘাতের নিরসন চাইলেও পদ্ধতিগত বিষয়ে তাদের ব্যাপক মতপার্থক্য রয়েছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র মস্কো তাকে ক্ষমতায় রেখেই সমস্যাটির সমাধান করতে আগ্রহী। অন্যদিকে সৌদি আরবসহ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো আসাদকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
তবে সিরিয়ার জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে গত সেপ্টেম্বর থেকে রুশ বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলে গেছে। সম্প্রতি মস্কো সফর করেছেন বাহরাইন ও কাতারের আমির। তারা প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। এবার আগামী মাসে রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন আসাদের সবচেয়ে বড় বিরোধী দেশ হিসেবে পরিচিত সৌদি আরবের সরকার প্রধান।
বাদশাহ সালমান এমন এক সময়ে মস্কো সফরে যাচ্ছেন যখন রুশ বিমান হামলার মুখে সিরিয়ার আলেপ্পো নগরী থেকে পালাতে শুরু করেছে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক। রেডক্রসের আশঙ্কা, এই হামলার কারণে আগামী দিনগুলোতে শহরটির আরো ৫০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাবে।