ঢাকাWednesday , 10 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধান নির্বাহীর দুর্নীতি
সেই অর্ধশত কোটি টাকা ফিরিয়ে এনেছে ডিএসসিসি

Link Copied!

DSCCনিজস্ব প্রতিবেদক : কন্যা ও জামাতার চাকরির সুবিধায় কম সুদে বেসিক ব্যাংকের একটি শাখায় রাখা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা অবশেষে ফেরৎ আনা হয়েছে। করপোরেশনের প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘কমসুদে রাখা এসব টাকার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মেয়র সেসব টাকা ফেরৎ আনাতে নির্দেশ দিয়েছেন। এর পর সব টাকা ফেরৎ আনার উদ্যোগ নেয়া হয়। এখন ওই ব্যাংকে সিটি করপোরেশনের আর কোনো টাকা নেই।’
প্রায় ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ঘাটতিতে থাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-চর্মচারীসহ বিভিন্ন ফান্ডের ১৬৫ কোটি টাকার মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ সুদে প্রায় ৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৫ টাকাই রাখা হয়েছে ব্যাসিক ব্যাংকের শান্তিনগর শাখায়। অথচ অন্যান্য ব্যাংক থেকে এসব টাকায় সুদের অফার ছিলো ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। ফলে গত চার বছরে করপোরেশনের ক্ষতি হয়েছে কমপক্ষে সাড়ে ১১ কোটি টাকা। কাজটি করেছেন সংস্থার তৎকালিন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনছার আলী খান। ব্যাংকটির এ শাখায় তার মেয়ে ফোজিহা তাবাসসুম ও প্রধান শাখায় চাকরি করেন জামাতা।
অভিযোগ রয়েছে নামমাত্র সুদে এ দুটি শাখায় করপোরেশনের টাকা রেখে মেয়ে ও জামাতার চাকরির সুবিধা করে দিয়েছেন আনছার আলী খান। এ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রালয়ের বিশেষ কমিটিও অনুসন্ধান করছে।
সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা বলছেন, ‘২০১১ সাল থেকে মাত্র ৬ শতাংশ সুদে রাখা এসব টাকার বিপরীতে প্রতিবছরে ২ কোটি ৮১ লাখ ১১ হাজার ৯৪৪ টাকা সুদ পেয়েছে করপোরেশন। সে হিসেবে গত চার বছরে ১১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ টাকা। অথচ এই টাকার জন্য অন্যান্য ব্যাংক থেকে বছরে অফার ছিল ১২ থেকে ১৪ শতাংশ। এ হিসেবে করপোরেশন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ কোটি টাকা।’