আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আইওয়া রাজ্যে ভোটাভুটিতে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দৌড় থেকে ছিটকে পড়েও খুশি হবার মত খবর পাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির দুই রাজনীতিক টেক্সাসের এ ধনকুবেরকে নোবেল পুরস্কারে ভুষিত করার প্রস্তাব করেন। ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভাব্য প্রস্তাবক হচ্ছেন সিনেট ও কংগ্রেসে রিপাবলিকান দলের দুই সদস্য।
প্রস্তাবকে হালকা করে দেখার কিছু নেই বলে উল্লেখ করে প্রস্তাবকরা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে ট্রাম্প দলের অন্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তুলনায় অধিকতর যোগ্য। যুক্তি হিসেবে ওই দুই প্রস্তাবক আরো বলেছেন, ট্রাম্পের আদর্শিক অবস্থান উগ্রবাদি ইসলামি জঙ্গি, আইএস, পারমানবিক শক্তিধর ইরান ও কমিউনিস্ট চিনকে মোকাবেলায় বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
ইতোমধ্যে ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি এ প্রস্তাব নোবেল কমিটির কাছে পাঠানো হয়।
প্রাক-নির্বাচনি প্রচারণায় অভ্যন্তরীণসহ নানা ইস্যুতে কথা বলে কর্মী-সমর্থকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জনমত জরিপে এগিয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে রিপাবলিকান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী টেক্সাসের এ আবাসন ব্যবসায়ী। তবে সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হয়ে মুসলমানদের আসার ওপর নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করে। বিতর্কের ঝড় উঠে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও। মেক্সিকো থেকে অপরাধী, মাদক ব্যবসায়ী, ধর্ষকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প। বলেন, নির্বাচিত হলে দুই দেশের সীমান্তে উঁচু দেয়াল নির্মাণ করে এসব অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা বন্ধ করা হবে। ট্রাম্পের এ বক্তব্যে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া জানায় মেক্সিকো।
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন পোপ ফ্রান্সিস, এডওয়ার্ড স্লোডেন, মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী আর্নেস্ট মোনেজ এবং ইরানের অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের প্রধান আলী আকবর সালেহি। তবে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনিত হওয়া আর পাওয়া এক বিষয় নয়। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে এ বছর ২০০ বিশিষ্টজনের নাম পেয়েছে নরওয়েভিত্তিক নোবেল কমিটি।

