চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে সরকারি-বেসরকারি সহায়তা প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি খাত একসাথে কাজ করলে দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত। শুধু তাই নয় এখন বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের কাজ চলছে তাতে নেতৃত্ব দিতে পারে বাংলাদেশ।
রোববার নগরীর পাঁচতারকা হোটেল রেডিসন ব্লু’র মেজবান হলে চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত বিজনেস সামিটে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশ সম্পর্কে আশাবাদী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবনের মতো এ পৃথিবীর অর্থনীতিতেও পরিবর্তন আসে। এখন বাংলাদেশের সময়। দেশ যেখানে দাঁড়িয়ে আছে যত চেষ্টাই করেন না কেন পিছিয়ে নিতে পারবেন না। কারণ বাংলাদেশের মানুষ আশাবাদী। দেশের ৭৪ভাগ মানুষ বিশ্বাস করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। এজন্য নেতিবাচক চিন্তা না করে আশাবাদী চিন্তা করা উচিত।
এসময় তিনি বিভিন্ন সংস্থার পূর্বাভাসের চেয়েও আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রবৃদ্ধি ভালো হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মহাযজ্ঞ চলছে উল্লেখ করে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, চট্টগ্রামে এলএনজি প্রজেক্টের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, মহেশখালীতে চারটি ইকোনোমিক জোন গড়ে তোলা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিমার্ণ করা হবে, কর্ণফুলী টানেল নিমার্ণ করা হবে। উন্নয়নের মহাযজ্ঞে তিনবছর পর চট্টগ্রামকে আর চেনা যাবেনা।
সামিটে অন্য বক্তারা বলেন, ভারত-মিয়ানমারসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে বড় ক্ষেত্র হতে পারে চট্টগ্রাম। এজন্য বন্দরের ট্রানজিট সুবিধাসহ কানেকটিভিটির ওপর জোর দেয়ারও সুপারিশ করেন তারা।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সালাউদ্দিন কাশেম খান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, কানাডা হাইকমিশনার পিয়ারে লামারে, বেঙ্গল চেম্বারের সভাপতি সুতানু ঘোষ, এফবিসিসিআই’র প্রথম সহ-সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবরার আনোয়ার প্রমুখ।

