
নিজস্ব প্রতিবেদক : একজন পুলিশ সদস্য তার কর্মজীবনে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বপ্ন থাকে বিপিএম (বাংলাদেশ পুলিশ পদক) কিংবা পিপিএম (রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক)-এর সর্বোচ্চ পুরস্কার লাভ। প্রতিবছরই সরকার ভাল কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশ সদস্যদের বিপিএম কিংবা পিপিএম পুরস্কার দিয়ে থাকে। সাধারণত সরকার প্রধান পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের হাতে তা তুলে দেন।
বিপিএম (সেবা এবং সাহসিকতা) পিপিএম (সেবা এবং সাহসিকতা) এই চার ক্যাটাগরিতে পদক দেয়া হয়ে থাকে। এবারও বিগত বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১০২ পুলিশ সদস্যকে বিপিএম ও পিপিএম পদক দেয়া হয়েছে। এর বাইরে মরনোত্তর পদক দেয়া হয়েছে ছয়জনকে।
বিপিএম ও পিপিএম পদকের বাইরের পূর্ববর্তী বছরের ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আইজিপি’স ব্যাজ দেয়া হয়। এবার এই পদক পেয়েছেন ১৯৩ জন। তবে বিপিএম এবং পিপিএম পুরস্কারের আর্থিক মূল্য থাকলেও এতোবছর আইজপি’স ব্যাজের কোনো আর্থিক মূল্য ছিল না। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কুজকাওয়াজ ও শিল্ড প্যারেড অনুষ্ঠানে আইজিপি এ কে এম শহদিুল হক প্রথমবারের মতো আইজিপি’স ব্যাজ লাভকারীদের জন্য আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেন। যদিও এর পরিমাণ খুবই সামান্য।
এদিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের তথ্য কর্মকর্তা একেএম কামরুল আহছান জানান, বিপিএম এবং পিপিএম পদক লাভকারী পুলিশ সদস্যরা পদক লাভের পাশাপাশি আর্থিক পুরস্কারও লাভ করেন। বিপিএম পদক লাভকারীরা এককালীন ৭৫ হাজার টাকা এবং আমৃত্যু মাসিক দুই হাজার টাকা করে পান। আর পিপিএম পদক লাভকারীরা এককালীন ৫০ হাজার টাকা এবং মাসিক আমৃত্যু দেড় হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন।
পিপিএম পদক লাভকারী পল্লবী থানার ওসি দাদন ফকির জানান, বিপিএম ও পিপিএম পদকের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতার পরিমাণ আগে দেড় ও একহাজার টাকা করে ছিল। সম্প্রতি তা ৫শ টাকা বৃদ্ধি করে যথাক্রমে দুই এবং দেড় হাজার টাকা করা হয়েছে।
পদকপ্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘পদকপ্রাপ্তি আরো ভালো কাজের দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করে।’

