ঢাকাWednesday , 27 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এবারও আমাদের অগ্রগতি হলো না।

Link Copied!

TIBনিজস্ব প্রতিবেদক : দুর্নীতির ধারণা সূচকে এবছরও অগ্রগতি হয়নি বাংলাদেশের। সংখ্যাভিত্তিক বিবেচনায় ১৪ থেকে একধাপ কমে অবস্থান ১৩ হলেও সার্বিক বিবেচনায় দুর্নীতির মাত্রা একই রয়েছে। এ মূল্যায়ন বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই)। ২০১৫ সালের এ মূল্যায়নে গেল বছরের তালিকার সাতটি দেশ বাইরে রেখে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বুধবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০১৫ প্রকাশ উপলক্ষে টিআই এর বাংলাদেশ শাখা টিআইবি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেয়া হয়।
সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘উচ্চক্রম অনুযায়ী ২০১৫ সালে বাংলাদেশের ছয় ধাপ অগ্রগতি কিছুটা সন্তোষজনক মনে হতে পারে, যদিও বাস্তবে তা হয়েছে এজন্য যে, যে সাতটি দেশ এবার জরিপের আওতাভুক্ত হয়নি। তারা সবসময় বাংলাদেশের তুলনায় বেশি স্কোর পেয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। নিম্নক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশ এবার ২০১৪ সালের ১৪তম অবস্থানের একধাপ নিচে ১৩তম, যা ২০১৩ সালের তুলনায় ৩ ধাপ নিচে ও ২ পয়েন্ট কম। এবারও আমাদের অগ্রগতি হলো না।’
অগ্রগতি না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কিছু উদ্যোগ থাকলেও প্রয়োগ ও চর্চার অভাবে কার্যকরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না।’
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল। আরো উপস্থিত ছিলেন টিআইবি’র ট্রাস্টি এম. হাফিজউদ্দিন খান ও উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের।
অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘সিপিআই র‌্যাংকিংয়ে স্কোর গতবারের চেয়ে কমে না যাওয়া স্বস্তির হলেও বসে থাকা চলবে না। কারণ এখনও ভালো অবস্থানের গড় যে স্কোর তার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারছে না বাংলাদেশ। তাছাড়া সামগ্রিকভাবে দেশের উন্নয়ন হলেও উন্নয়নের সাথে দেখতে হবে যে দুর্নীতি কমছে কি না, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠিক আছে কি না। গণতন্ত্রের বিনিময়ে উন্নয়ন কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়েও ভাবার অবকাশ রয়েছে।’
এম. হাফিজউদ্দিন খান বলেন, ‘যদি সংসদীয় কমিটিগুলো কার্যকর হয়, প্রশাসন সংসদের জবাবদিহিতার মধ্যে থাকে, বিরোধী দল কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে তাহলে আমাদের অবস্থার আরো উন্নতি হতে পারে।’