ঢাকাTuesday , 26 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছয় মাসেই লক্ষ্যমাত্রার ৫৩.৩৯% কৃষিঋণ বিতরণ

Link Copied!

bangladesh-bankঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষিখাতে ঋণ বিতরণ করেছে ৮ হাজার ৭৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যা পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার ৫৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। কৃষিঋণ বিতরণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
আমন ও বোরোর দুটো মৌসুমের কারণে কৃষক থেকে ঋণের চাহিদা বেশি হওয়ায় সার্বিক কৃষিখাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংকগুলো মোট কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ৮ হাজার ৭৫৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। যা গেল অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। ঋণ বিতরণের এ হার পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার ৫৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ পূরণ করেছে। আর আগের অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ বিতরণ হয়েছিল ৭ হাজার ৭০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
এদিকে চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ৫ শতাংশ বা ৮৫০ কোটি টাকা বেশি।
প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের উল্লিখিত ৬ মাসে সরকারি ব্যাংকগুরোর মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে ৪ হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। যা তাদের লক্ষ্যমাত্রার ৫০ দশমিক ১২ শতাংশ। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিতরণ হয়েছে ৪ হাজার ৯৯ কোটি ৪৯ লাখ যা তাদের লক্ষ্যমাত্রার ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ পূরণ করতে পেরেছে। এবার মোট ঋণের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর জন্য ৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকা, বেসকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৬ হাজার ৭১৭ হাজার কোটি টাকা ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর ২৯৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরেও ব্যাংকগুলোকে মোট ঋণের ন্যূনতম আড়াই শতাংশ কৃষি ও পল্লী খাতে বিতরণ করতে হবে। নতুন ব্যাংকগুলোর জন্য এ হার ৫ শতাংশ। যারা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হবে না তাদেরকে অর্থবছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার অনর্জিত অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে বাধ্যতামূলক জমা করতে হবে। ব্যাংক এই জমার ওপর কোনো সুদ পাবে না।