ঢাকাSaturday , 23 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডাকবাংলো নাকি নিশিকন্যাদের লীলাস্থল!

Link Copied!

mowlobibazarমৌলভীবাজার প্রতিনিধি : জেলার রাজনগর উপজেলায় পরিত্যক্ত সরকারি ডাকবাংলোয় প্রতিদিন মদ, গাঁজা সেবন ও জুয়ার আসর বসে। রাতের আঁধারে চলে নিশিকন্যাদের লীলাখেলা।
স্থানীয় কতিপয় বখাটে যুবক রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থেকে চালিয়ে যাচ্ছে এসব অপকর্ম। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন এ ভবনের কোনো সংস্কার না করায় ও এর লোকবল অন্যত্র সরিয়ে নেয়ায় এতে আস্তানা গেড়েছে মাদকাসেবী ও জুয়াড়িরা।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন এ ডাকবাংলোটি একযুগেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত। আগের পাবলিক লাইব্রেরির স্থানে নতুন ডাকবাংলো নির্মাণ করায় প্রাচীর ঘেরা পুরাতন এ ভবনটির কোনো খোঁজই রাখা হয় না। লোকবলও স্থানান্তরিত হয়েছে ভিন্ন স্থানে। করা হয় না সংস্কারও। দিনদুপুরে অবাঞ্চিত লোকজনের আনাগোনা আর রাতের আঁধারে চলে জুয়া ও নিশিকন্যাদের লীলাখেলা।
এসব অপকর্মে বখাটেরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় মুখ খোলেন না সাধারণ মানুষ। এতে একচ্ছত্র আধিপত্য চালিয়ে যাচ্ছে জুয়ারি ও মাদকাসক্তরা। মূলভবনের কয়েকটি দরজায় পুরাতন কয়েকটি তালা থাকলেও ঝুলছে নতুন তালাও। বখাটেরা নিজেদের ইচ্ছেমতো প্রবেশ করে চালিয়ে যায় অপকর্ম।
গত বুধবার দুই মাদকাসক্ত দিনের বেলায় গাঁজা সেবন করতে গেলে স্থানীয় কতিপয় যুবক দেখে ফেলে। তারা তার পিছু নিয়ে ভবনের ভেতরে যায়। বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যায় বখাটেরা। পরে তারা রাজনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করে।
রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দীন ডাকবাংলো পরিদর্শনে যান। ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের সামনের দরজায় তালা ঝুলানো রয়েছে। পেছনের একটি দরজায় নতুন তালা ঝুলানো। দরজার ফাঁক দিয়ে দেখা যায় ভেতরে বিছানার মতো করে কাপড় পাতা। পাশে রয়েছে পানির ৩০-৩৫টি বোতল। সামনের বারান্দায় ছড়ানো-ছিটানো তাস।
অবস্থা দেখে ধারণা হয় এই তালা খুলে ভবনের ভেতরে প্রবেশ করা হয়। সেখানেই চলে মাদক সেবন, জুয়ার আড্ডা ও নিশিকন্যাদের নিয়ে লীলাখেলা। এসব বিষয় ওপেন সিক্রেট হলেও বখাটেদের ভয়ে প্রতিবাদ করেন না কেউ।
এসআই আলাউদ্দীন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে আমি বিষয়টি দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে কিছু পরিত্যক্ত পানির বোতল ও তাস পড়ে রয়েছে। মনে হচ্ছে মাদকাসক্ত বখাটেরা এখানে যাতায়াত করে।’
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনুর আক্তার পান্না বলেন, ‘এটি জেলা পরিষদের অধীনে। শুনেছি ওনারা সেখানে মার্কেট করবেন। বখাটের বিষয়টি আমি শুনেছি।