ঢাকাFriday , 22 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চলছে বইমেলার সাজসজ্জার চূড়ান্ত প্রস্তুতি

Link Copied!

bookনিজস্ব প্রতিবেদক : কুয়াশাঘেরা উদ্যানে ভোর থেকে কাজ শুরু, চলছে রাত অব্দি। বাঙালির প্রাণের বইমেলা মনের দুয়ারে কড়া নাড়ছে। সপ্তাহখানেকও সময় নেই। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে স্টল-প্যাভিলিয়ন নির্মাণসহ সাজসজ্জার চূড়ান্ত প্রস্তুতি। শ্রমিকরা বাঁশের অবকাঠামো তৈরি করছেন। কেউ মাটি খুঁড়ে খুঁটি বসাচ্ছেন, কেউ আগে থেকে বসানো খুঁটিগুলোর সঙ্গে বাঁশ বেঁধে দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে উদ্যানের ভেতরে প্রকাণ্ড আকৃতির বেশ কয়েকটি ঘরের কাঠামো নির্মাণ হয়ে গেছে। ২৬ জানুয়ারির মধ্যে সাজসজ্জাও শেষ হবে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬-এর পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ জানালেন, লটারির মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়। যারা পেয়েছেন তারা যেন ২৬ তারিখের মধ্যেই স্টল ও আনুষঙ্গিক সজ্জার কাজ শেষ করেন।
‘২৬ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণের আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যবর্ধন, নিরাপত্তা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিশ্চিত করা হবে’, যোগ করেন ড. জালাল।
এবারের বইমেলায় ১৫টি প্যাভিলিয়নে ৬৫০টি স্টলে থাকছে। এসব স্টলে ৪০০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) মেলার মূল গেটের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়েছে। ২৮ তারিখের মধ্যেই নির্মাণ শেষ হবে বলে জানালেন ড. জালাল। ওই তারিখের মধ্যেই মেলাপ্রাঙ্গণের চারপাশে টিনের বেড়া তৈরির কাজও শেষ হবে।
‘এখন তো মাটি খুঁড়ে বাঁশ পোঁতার কাজ চলছে, কাল-পরশু এলে হাতুড়ি পেটানোর আওয়াজে কান ঝালাপালা হয়ে যাবে’, বললেন বাংলা একাডেমির ঝাড়ুদার বিষ্ণু দাস।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বর্ধিত অংশে মাটি খোঁড়ার কাজ চলছে। কেউ বাঁশ গাড়ছে। কেউ দড়ি দিয়ে বাঁশ বেঁধে চালা বানাচ্ছে। কেউ ছাউনিতে ত্রিপল টাঙাচ্ছে। থেমে নেই বইয়ের তাক বানানোর কাজও।
কাঠমিস্ত্রি আনোয়ার। জানালেন, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে সেখানে স্টল বানানোর কাজ চলছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ, ২৫ তারিখের মধ্যে তাদের স্টল বানানোর কাজ শেষ করতে হবে।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেও চলছে স্টল বানানোর জন্য মাপজোঁক, খোঁড়াখুড়ি, বাঁশ কাটার কর্মযজ্ঞ। মূল মঞ্চ তৈরির কাজও অনেকেটা এগিয়ে আছে। বিষ্ণু দাস জানালেন, কয়েকদিনের মধ্যে ওপরে ত্রিপল দিয়ে মঞ্চসজ্জার কাজ হয়ে যাবে। হাত তুলে প্রাঙ্গণের চারপাশ দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘কাল-পরশু এলে দেখবেন, আওয়াজে কথা শোনা যাচ্ছে না। রাত-দিন কাজ চলবে।’
গতবারের বইমেলার ‘বাজে’ অভিজ্ঞতা আর দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথাটি মাথায় রেখেই এবার নিরাপত্তায় ন্যূনতম ঘাটতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন আয়োজন সংশ্লিষ্টরা। নজরদারির জন্য এবার মেলাপ্রাঙ্গণে বসছে আড়াইশ সিসি ক্যামেরা। দোয়েল চত্বর থেকে চারুকলা পর্যন্ত নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসব কাজে দেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গেট পর্যন্ত থাকবে আলোকসজ্জা। বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বসবে আলোর পাহারা।
নিরাপত্তার বিষয়ে ড. জালাল আহমেদ বলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে আমরা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। তারা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। ইতোমধ্যে স্টল বানানোর কাজ দেখভাল করেছেন আনসার ও পুলিশ সদস্যরা।’
তবে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট অন্য বিষয়গুলো দেখভাল করছেন ‘টপ লেভেলের’ নিরাপত্তা বাহিনী, জানান ড. জালাল। বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ হচ্ছে। আশা করছি, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী তারা মেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।’