ঢাকাSaturday , 16 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হোটেল থেকে ৬৩ জিম্মি উদ্ধার

Link Copied!

burkinafasoআন্তর্জাতিক ডেস্ক : আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর রাজধানী উয়াগাদুগুর এক বিলাসবহুল হোটেলে চালানো হামলায় ২০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। শনিবার সকালে ৬৩ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়েছে যাদের মধ্যে ৩৩ জনই আহত। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হোটেলে উদ্ধার অভিযান এখনো চলছে।
জঙ্গি গোষ্ঠী আল কায়দা ইন দ্য ইসলামিক মাগরেব (একিউআইএম) এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বুরকিনা ফাসোর যোগাযোগমন্ত্রী রয়টার্সকে জানিয়েছেন, স্থানীয় এক মন্ত্রীসহ কমপক্ষে ৩৩ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অন্যান্য সূত্রগুলো বলছে, কমপক্ষে ৬৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ১০টি মৃতদেহ উদ্ধারের কথাও স্বীকার করেছেন ওই মন্ত্রী।
এদিকে দিয়াল্লো ইসরাইল নামের এক মানবাধিকার কর্মী জানিয়েছেন, হোটেলের অভ্যন্তরে এখনো প্রায় তিনশ’ মানুষ আটকা পড়ে আছে। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। উয়াগাদুগুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত এই চার তারা হোটেলটি জাতিসংঘ কর্মকর্তাসহ বিদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। যদিও এ হোটেলটিতে এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার এটিই প্রথম ঘটনা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত আটটার দিকে বার্কিনা ফাসোর রাজধানী উয়াগাদুগুর চারতারা হোটেল স্পেলেনডিডে ওই হামলা শুরু হয়। তিন থেকে চার মুখোশধারী উপর্যুপরি গুলি ছুড়তে ছুড়তে হোটেলে প্রবেশ করে। তারা হোটেলের বাইরে দণ্ডায়মান একাধিক গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। উপস্থিত জনতার মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। তাদের হামলায় কমপক্ষে ২০ জন নিহত এবং আরো অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন।
সন্ত্রাসীরা হোটেলের অভ্যন্তরে সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজনকে জিম্মি করেছে বলেও জানা গেছে। জিম্মিদের উদ্ধারে হোটেলে জঙ্গি বিরোধী অভিযান শুরু করেছে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী। আল জাজিরার প্রতিনিধি জানিয়েছে, দু পক্ষের মধ্যে লড়াই এখনো চলছে।
তবে আফ্রিকায় এ ধরনের হামলা কোনো নতুন ঘটনা নয়। গত নভেম্বরে মালির রাজধানী বামাকোর এক হোটেলে হামলা চালিয়ে ১৭০ জনকে জিম্মি করেছিল বন্দুকধারীরা। হামলাকারীদের সঙ্গে দীর্ঘ নয় ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধের পর অধিকাংশ জিম্মিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এ ঘটনায় হামলাকারীসহ প্রাণ হারিয়েছিল ১৯ জন।