ঢাকাFriday , 15 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিআরএসএর এজিএম-এ আইনমন্ত্রী
রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের সমস্যা দ্রুত সমাধানে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ

Link Copied!

Anisul-নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকার রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের সমস্যা যত দ্রুত সম্ভব তা সমাধানে খুবই আন্তরিক ও অঙ্গীকারাবদ্ধ। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এ দেশ একটি উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করবে। শুক্রবার বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশনের (বিআরএসএ) বার্ষিক সাধারণ সভায় সরকারের আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক (এমপি) উপরোক্ত মন্তব্য করেন। আইনমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার দেশের উন্নয়নশীল কর্মকাণ্ডে আন্তরিক। অনুষ্ঠানে আনিসুল হক বলেন, দেশে বেশকিছু সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস ও জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে এবং অনেক ভবন নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া বেশকিছু ভবন উদ্বোধন করা হবে শীঘ্রই। তিনি বক্তব্যে আরো বলেন, দেশে বালামবইয়ের কোন সংকট নেই। ইতোমধ্যে বিজি  প্রেস থেকে ১ লাখ ৯৫ হাজার বালামবই মুদ্রিত হয়েছে।  রেজিস্ট্রেশন ম্যানুয়াল ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলায় প্রকাশ করা হয়েছে। নিজকে রেজিস্ট্রেশন পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী রেজিস্ট্রেশন বিভাগের প্রশাসনিক সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তাকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জাানান। বদলীর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বছরের ডিসেম্বর এবং জুন মাসকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, এবিসি ক্যাটাগরির অফিসে পরিবর্তন আনা হবে খুব শীঘ্রই এবং ৫৯ জন সাব-রেজিষ্ট্রারকে দ্রুত পদায়ন করা হবে। জেলা রেজিস্ট্রার এবং সাব রেজিস্ট্রারগণকে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরো দক্ষ ও কৌশলী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। যাতে দেশের মানুষ দ্রুত ও কাঙ্খিত সেবা পায়। জেলা রেজিস্ট্রারদেও যাতায়াতের ক্ষেত্রে যানবাহনের ব্যবস্থা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। আর বালামবইয়ের চুরি রোধে রেকর্ড রুমে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নকলনবীশদের পারিশ্রমিক পরিশোধ করার ব্যাপারে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে আইনমন্ত্রী জানান। তিনি সাব-রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারদের সততা এবং নিষ্ঠার সংঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। যাতে জনগণের কোন ভোগান্তি না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আবু তালেব খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক এবং নিবন্ধন পরিদপ্তরের মহাপরিদর্শক খান মোঃ আবদুল মান্নান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন ও গীতাপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। ত্রিপিটক পাঠ করেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক। বিআরএসএ’র মহাসচিব মো. মাহফুজুর রহমান খান সংগঠনের পক্ষ থেকে ১৬টি দাবী তুলে ধরেন। দাবীগুলোর মধ্যে নিবন্ধন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তর, জেলা রেজিস্ট্রারদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি বাস্তবায়ন, যথানিয়মে কর্মকর্তাদের বদলী, প্রশিক্ষণ, অফিসের গ্রেডেশন পুণঃনির্ধারণ, অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান, পুরাতন রেকর্ডপত্র ধ্বংস করণ, রেকর্ড রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, নকলনবীশদের পারিশ্রমিক বিল পরিশোধ করা, রেকর্ড অবরাইট সংরক্ষণ, শূণ্যপদ পূরণ, নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ, নিয়ন্ত্রণ ও রীট সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান, বিভাগীয় পর্যায়ে অফিস স্থাপন, জেলা রেজিস্ট্রারদের গাড়ী প্রদান, এনবিআর, দুদক  ও অডিট কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময়,অভিযোগের তদন্ত দ্রুত নিষ্পত্তিকরণ এবং কর্মচারী নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলীর কার্যক্রম যথানিয়মে সম্পন্ন করণ। মহাসচিব তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বিগত অর্থ বছরে রেজিস্ট্রেশন বিভাগ সরকারকে ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা দিয়েছে যার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৩৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বার্ষিক সাধারণ সভায় দেশের অধিকাংশ জেলা রেজিস্ট্রার এবং সাব-রেজিস্ট্রারগণ উপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয়পর্বে সাধারণ সভার কার্যক্রম এবং রাতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।