ঢাকাTuesday , 12 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ধাতব মুদ্রা না নিলে দণ্ড

Link Copied!

bangladesh-bankঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ধাতব মুদ্রাসহ কম মূল্যমানের নোট ও ছেড়া-ফাটা নোট গ্রহণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মানছে না দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ব্যাংকগুলো তাদের নিজস্ব গ্রাহকদের কাছ থেকে ধাতব মুদ্রা গ্রহণ না করলে এবং এ সংক্রান্ত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যাংক কোম্পানি আইনে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে তৃতীয় দফায় নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে তা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে।
বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে ধাতব মুদ্রাসহ কম মূল্যমানের নোট না নেয়ার অভিযোগ অনেক পুরনো। গেল কয়েক মাসে এ ধরনের অভিযোগ অনেক বেড়েছে। এর প্রেক্ষিতে গ্রাহকদের কাছ থেকে ধাতব মুদ্রা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে গেল বছরের ১২ জানুয়ারি বেশ কিছু পরামর্শ দিয়ে সার্কুলার জারি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই নির্দেশনায় তফসীলি ব্যাংকগুলোকে তাদের গ্রাহকদের কাছ থেকে ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা ও কাগুজে নোট গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়। তারপরও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে নিজস্ব গ্রাহক থেকে ধাতব মুদ্রা গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এ বিষয়ে লিখিত ও ফোনে অভিযোগ করছেন অনেকেই। পত্র পত্রিকায়ও এ ধরনের প্রতিবেদন আসছে উল্লেখ করে সার্কুলারে বলা হয়েছে, তফসীলি ব্যাংকের শাখা কর্তৃক অনেক ক্ষেত্রে তাদের গ্রাহকদের কাছ থেকে ধাতম মুদ্রা যথাযথভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে ধাতব মুদ্রা বিনিময়ের ক্ষেত্রে জনসাধারণ বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছে। যা তাদের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক লেনদেনে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। এমতাবস্থায় জনসাধারণের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু লেনদেন অব্যাহত রাখার স্বার্থে সকল তফসীলি ব্যাংককে তাদের গ্রাহকদের কাছ থেকে মূল্যমান নির্বিশেষে সব ধরনের ধাতব মুদ্রা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
আর এ নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে এবং এ বিষয়ে উত্থাপিত অভিযোগ প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা লঙ্ঘনের দায়ে ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় অর্থদণ্ড করা হবে।
এর আগে গত বছরের ১২ নভেম্বর নির্দেশনায় তফসীলি ব্যাংকে ধাতব মুদ্রা গ্রহণ করার পাশাপাশি জনসাধারণের লেনদেনের স্বার্থে প্রতিটি ব্যাংকের শাখায় ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ন্যূনতম ১০ হাজার পিস ধাতব মুদ্রা সংরক্ষণের কথা বলা হয়। আর স্থানীয় কার্যালয়সহ অন্যান্য বড় শাখায় ৩০ হাজার পিস সংরক্ষণের সীমা বেধে দেয়া হয়। নির্ধারিত পরিমাণের বেশি ধাতব মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেয়ারও সুযোগ রাখা হয়।
৭ সেপ্টেম্বর ছেঁড়া নোট ও ধাতব মুদ্রার পাশাপাশি ছোটবড় সব ধরনের নোট নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কারেন্সি ম্যানেজম্যান্ট বিভাগের ওই সার্কুলারে বলা হয়েছিল, জনসাধারণের স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু লেনদেন অব্যাহত রাখার স্বার্থে তাদের ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোটের বিনিময় মূল্য প্রদান ছাড়াও মূল্যমান নির্বিশেষে সব ধরনের নোট ও ধাতব মুদ্রা গ্রহণ ও বিতরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।