ঢাকাMonday , 11 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্সের কাছ থেকে আড়াই কোটি টাকা পাবে এনবিআর

Link Copied!

jamunaঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : আপিল বিভাগের এক রায়ের মাধ্যমে যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেড নামে এক প্রতিষ্ঠান থেকে দুই কোটি ৫১ লাখ ৩০ হাজার টাকার রাজস্ব পাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রোববার আপিলেট ডিভিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ বিষয়ে দায়েরকৃত সিভিল পিটিশন (নং-৩৬/২০১৬) শুনানি গ্রহণ করেন এবং শুনানি শেষে সর্বসম্মতভাবে এ রায় দেন।
রিট আবেদনকারী যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলের (সিনাবহ, কালিয়াকৈর, গাজীপুর) রিট খারিজ করে দিয়ে এই রায় প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের প্রাপ্য শুল্ক-করাদি বাবদ সমুদয় টাকা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য আদেশ প্রদান করেন আপিল বিভাগ। এনবিআর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সূত্রটি জানায়, যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেড ৭টি চালানের বিপরীতে চীন থেকে রেফ্রিজারেটরের কমপ্রেসার (এইচ. এস. কোড-৮৪১৪.৩০.৯০) আমদানি করে। যার উপর কাস্টমস্ ডিউটি ৫%, মূল্য সংযোজন কর ১৫% এবং অগ্রিম আয়কর ৫% প্রযোজ্য। কিন্তু কাস্টমস হাউস চট্টগ্রামে প্রদত্ত ঘোষণায় আমদানিকারক ওই প্রতিষ্ঠান উক্ত কমপ্রেসারকে এয়ার কমপ্রেসার (এইচ. এস. কোড-৮৪১৪.৩০.৯০) হিসেবে ঘোষণা প্রদান করে। যার উপর শুধুমাত্র ২% হারে সিডি প্রযোজ্য। কাস্টমস্ হাউস চট্টগ্রাম সেই ৭টি চালান পোস্ট অডিটের মাধ্যমে দুই কোটি ৫১ লাখ ৩০ হাজার টাকার কর ফাঁকি উদঘাটন পূর্বক দাবিনামা জারি করে।
যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেড ওই মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে প্রযোজ্য শুল্ক-করাদি ফাঁকি দেয়ার লক্ষ্যে পণ্য চালানটি আমদানি করেছিল। ফলে কাস্টমস্ হাউস রাজস্ব আদায়ে উদ্দেশ্যেই দাবি নামা জারি করে। সেই দাবিনামার টাকা পরিশোধ না করে যমুনা ইলেকক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেড হাইাকোর্ট ডিভিশনে সেই দাবিনামার আদেশের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন (নং ১৩৮৫/২০১৫) দায়ের করে। হাইকোর্ট ডিভিশন গত বছরের ২১ ডিসেম্বর অন্তবর্তী আদেশে রিট আবেদনকারীর বক্তব্য/আবেদন বিবেচনায় নিয়ে দাবিনামার উপর ৩ মাসের অন্তবর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। হাইকোর্ট ডিভিশনের সেই আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষে সিভিল পিটিশন (সিপি) (নং ৩৬/২০১৬) দাখিল করা হলে আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
এ ব্যাপারে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সুসংহত করার লক্ষ্যে চলতি অর্থ বছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার দৃঢ় প্রত্যয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগে বিচারাধীন ২৫ হাজার মামলায় প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সংশ্লেষ সম্বলিত রাজস্ব মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পতির উদ্যোগ নিয়েছি। এ ক্ষেত্রে সরকারের সকল বিভাগ আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। বিশেষ করে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এ জন্য আমি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং তার বিজ্ঞ কার্যালয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’