ঢাকাWednesday , 28 October 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রথম প্রান্তিকে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ৫৭৯৮ কোটি টাকা

Link Copied!

NBRঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের বিপুল পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। সেখানে প্রথম প্রান্তিক তথা জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল ৩৬ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ রাজস্ব আদায় করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এই প্রান্তিকে রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ৫৭৯৮ কোটি টাকা। যদিও গত বছরের তুলনায় রাজস্ব আদায়ে ৯ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে। কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আদায় না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিকে রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৬ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৩০ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। ঘাটতির পরিমাণ ৫ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ২৮ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। এই তিন মাসে আমদানি পর্যায়ে আমদানি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক থেকে আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। এ খাতে ঘাটতি ১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকে এ খাতে আদায় হয়েছিল ৯ হাজার ১১২ কোটি টাকা।
অপরদিকে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা। এখানে ঘাটতি রয়েছে ২ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা। যদিও গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। আমদানি শুল্কখাতে লক্ষ্যমাত্রা ১১ হাজার ২১৫ কোটি টাকার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।
এনবিআর সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যেক অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ের ঘাটতি থাকে। সাধারণত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি না হওয়ায় রাজস্ব আহরণে এই বিরূপ প্রভাবের কারণ হতে পারে।
তাছাড়া আগের তুলনায় অনেক ব্যাংকের মুনাফা কমে গেছে যাওয়ায় প্রথম প্রান্তিকে এমন হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত হিসাবে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ কমতে পারে বলে আশা করেন তিনি।
আর দ্বিতীয় প্রান্তিকে এই ঘাটতি পূরণ হবে বলে আশাবাদী এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, আসলে রাজস্ব আদায়ের প্রথম প্রান্তিকটা প্রস্তুতিকাল হিসেবে ধরা যায়। এই সময়ে জনবল গোছানোসহ বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি থাকে। বুঝিয়ে উঠতেও একটা সময় লাগে। সেই তুলনায় আমার সহকর্মীরা গত বছরের তুলনায় বেশি আদায় করেছে। সে অনুযায়ী বলতে পারি আমাদের রাজস্ব আদায়ের গতি আছে। তাই দ্বিতীয় প্রান্তিকে গিয়ে এসব ঘাটতি পূরণ করতে পারবো এবং আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারবো।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রথম প্রান্তিকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘গত পাঁচ বছরে এত কম রাজস্ব আদায় হয়নি। এটা ব্যাড সিগন্যাল। আই অ্যাম আনহ্যাপি।’