ঢাকাMonday , 17 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুর্নীতি-ঘুষ তদন্ত করবে দুদক

Link Copied!

cabinetনিজস্ব প্রতিবেদক : দ্বিগুণ অর্থদণ্ড ও  যৌথ তদন্তের বিধান রেখে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইন, ২০১৫’ এর  খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সংশোধিত আইনে সরাসরি দুর্নীতি এবং ঘুষের তদন্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনকে। অন্যান্য অপরাধ তদন্ত করবে সংশ্লিষ্ট সংস্থার তদন্তকারী দল।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রস্তাবিত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (সংশোধন) আইনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এর প্রধান হবেন। তিনি সরকার কর্তৃক চার বছর মেয়াদে নিযুক্ত হবেন। সরকার ইচ্ছা করলে পরে বিএফআইইউ প্রধানের মেয়াদ নবায়ন করতে পারবে। অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়োগ দেবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বাইরে থেকেও বিভিন্ন সংস্থা থেকে ডেপুটেশনে সরকার লোক পাঠাবেন।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান আইনে শাস্তির বিধান কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান আইনে রয়েছে ৪ থেকে ১২ বছর শাস্তির কথা। এটি অপরিবর্তিত থাকছে। তবে মানি লন্ডারিং অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কমপক্ষে দ্বিগুণ অথবা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, সংশোধিত আইনে অর্থদণ্ড ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকার বিধান রাখা হয়েছে।’
মোশাররাফ হোসাইন বলেন, ‘মান্ডি লন্ডারিং আইন, ২০১২ আরো কার্যকর করতে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যামান আইনে যৌথ তদন্তের কোনো বিধান ছিল না। সংশোধিত আইনে যৌথ তদন্তকারী দল সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতায় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্টস ইউনিট রয়েছে। এই ইউনিটকে আরো বেশি শক্তিশালী করা হবে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি খুবই জটিল। কোনো কোনো  ক্ষেত্রে যৌথ তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে। পুলিশ, কাস্টমস ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সরাসরি তদন্ত করতে পারবে।’