আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কুর্দি ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা তুরস্কের বিরুদ্ধে ইসলামিক স্টেটকে লালনের অভিযোগ তুলেছেন। তার ভাষ্য কুর্দিদের ওপর হামলা চালিয়ে তুরস্ক আসলে ইসলামিক স্টেটকে সহায়তা করতে চাইছে। বিবিসেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পিকেকে-র নেতা সেমিল বাঈক বলেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের কুর্দি হননের মূল উদ্দেশ্য হলো ইসলামিক স্টেটকে শক্তিশালী করা, যা কুর্দিদের ভূমি পুনরুদ্ধার ভেস্তে যায়।
উল্লেখ্য, সিরিয়া ও ইরাকে ইসলামিক স্টেট-গ্রুপের বিরুদ্ধে যে কয়টি দল ও উপদল উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে তাদের মধ্যে কুর্দিরা অন্যতম। সুতরাং কুর্দি সংগঠনকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যায়িত করে; যেমনটা করে থাকে পশ্চিমের আরও বেশ ক’টি দেশ শুধুমাত্র তাত্ত্বিক-আদর্শিক বিরোধের কারণে; হামলা চালানোটা শুধুমাত্র আইএসদের ম্যান্ডেট পরিপালন করার শামিল।
এদিকে কুর্দি প্রশাসনের ভাষ্য তাদের দেশীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আইএস ও পিকেকে উভয়েই হুমকি বলে পরিগণিত যে কারণে কোনো পক্ষকেই তারা ছেড়ে কথা বলছে না। এর প্রতিক্রিয়া কুর্দি সংগঠনটির সশস্ত্র দলটি বেশ শক্তিশালী প্রত্যুত্তরও তুরস্ককে দিয়ে চলেছে।
সর্বশেষ তথ্যমতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের পুলিশ ফাঁড়ি ও মার্কিন দূতাবাসে বোমা বিস্ফোরিত হয়েছে। যদিও কোনো হতাহতের খবরাখবর মেলেনি এখনতক। ধারণা করা হচ্ছে এ হামলা পিকেকে কর্তৃক সংঘটিত হতে পারে।

