আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফ্রান্স সরকারের আয়ত্ত্বাধীন রিইউনিয়ন দ্বীপে ভেসে আসা ফ্ল্যাপেরনটি এমএইচ৩৭০টির বলে ‘প্রমাণিত’ হওয়ার পর নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বিশ্ববাসীর মনে। এবং তারই ধারাবাহিকতায় ফরাসী সরকার দ্বীপাঞ্চলটিতে তদন্ত অভিযান পরিচালনায় হাত বাড়িয়েছে।
জানা গেছে, বিমান ও স্থলবাহিনী ও ডুবুরিযোগে নতুন করে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ খোঁজার অভিযানে নামতে যাচ্ছে ফ্রান্স। যদিও ফ্রান্সের গবেষকরা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নন ঐ ফ্ল্যাপেরন এবং পরবর্তীতে প্রাপ্ত মইটি এমএইচ৩৭০’র কিনা। কিন্তু মালয়েশীয় সরকার এ বিষয়ে তাদের নিশ্চয়তা প্রকাশ করেছে।
মালয়েশীয় সরকার অবশ্য বলেছে ঐ দ্বীপে আরও ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। ফরাসী সরকার এ ভাষ্য প্রত্যাখ্যান করেছে।
মালয়েশীয় বিমান-দুর্ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনেরা চীনের রাজধানী বেইজিং-এ মালয়েশীয়-বিমানকর্তৃপক্ষের দপ্তরের সামনে ছোট ছোট বেশ ক’টি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে।
ফরাসী সরকার মালয়েশীয় প্রশাসনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেও ভৌগলিক তথ্যাবলীর ভিত্তিতে তল্লাশী অভিযান পরিচালনায় আগ্রহী হয়েছে। বোয়িং৭৭৭ বিমানটি দক্ষিণ ভারত মহাসাগরে বিধ্বস্ত হয়ে থাকলে, মহাসাগরীয় স্রোতের যে গতিধারা তার ওপর ভিত্তি করে রিইউনিয়ন দ্বীপাঞ্চলে ভেসে আসাটা অনেকটাই স্বাভাবিক বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

