ঢাকাThursday , 6 August 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘থ্রি-হুইলার বন্ধ হলে ২৫ শতাংশ দুর্ঘটনা কমবে’

Link Copied!

cngনিজস্ব প্রতিবেদক : মহাসড়কে থ্রি-হুইলার তথা ধীর গতির যানবাহন তুলে দেয়া হলে মহাসড়কগুলোতে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ দুর্ঘটনা কমে আসবে বলে মনে করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলেনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আহ্বায়ক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
লিখিত বক্তব্যে  তিনি বলেন,  নছিমন, করিমন, ভটভটি, মাহিদ্র ও ইজিবাইক বৈধ কোনো পরিবহন নয়। বর্তমানে সারাদেশে এ ধরণের প্রায় ১৩ লাখ যানবাহন রয়েছে। আর ওই সকল গাড়ির অধিকাংশের চালক অনভিজ্ঞ। ফলে মহাসড়কে একই সঙ্গে দ্রুত ও ধীরগতির যানবাহন চলাচল অব্যাহত থাকার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে। তাই ধীরগতির যানবাহন ও থ্রি-হুইলার না চলার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সড়ক দুর্ঘটনা ২০-২৫ শতাংশ কমে আসবে।
বিভিন্ন দেশের মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সারাদেশে ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স জব্দসহ ভুয়া লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন, তার সঙ্গে একমত পোষণ করছি। আমরা চাই, সবাই দেশের প্রচলিত আইন মেনে চলুক।’
সংগঠনটির এই নেতা বলেন,‘ সারাদেশে জাতীয় মহাসড়ক ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার। এছাড়া দেশে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার কিলোমিটার সড়কে থ্রি-হুইলার যানবাহন চলাচলে কোনো বাধা নেই। যা মোট সড়কের এক দশমিক চার দুই শতাংশ। তাই মহাসড়কে ওই সকল যানবাহন না চললেও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের কাজের কোন সমস্যা হবে না।’
মহাসড়কে পৃথক লেন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,‘ দেশের প্রেক্ষাপটে ধীরগতির যানবাহন বা থ্রি-হুইলারের জন্য আলাদা লেন তৈরি সম্ভব নয়।’
এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘ আমাদের তিন লাখের বেশি সদস্য। আমাদের পক্ষে তাদের বিষয়টি দেখা সম্ভব নয়। তাই সরকারকে অব্যাহতভাবে এর বিরুদ্ধে অভিযান চালানো উচিত।’
বৃহত্তর স্বার্থে ধীরগতি যানবাহন বন্ধ করতে হবে। যারা বলছেন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া যানবাহনের মালিকদের কী হবে, তাদের আগে ভাবতে হবে, প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় কতো মানুষ মারা যাচ্ছে বলেও যোগ করেন তিনি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সদস্য সচিব ওসমান আলী, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওউনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক তালুকদার সোহেল ও মহাখালী বাস-ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সাদিউর রহমান হিরু প্রমুখ।