আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কংগ্রেসের ২৫ সাংসদকে লোকসভা থেকে বহিষ্কারের ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের হত্যা’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন দলের প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধী। এর আগে স্পিকার সুমিত্রা মহাজনের এই সিদ্ধান্তকে ‘হিটলারি আচরণের’ সঙ্গে তুলনা করেছিল কংগ্রেস। লাগাতার ইচ্ছাকৃতভাবে লোকসভা অধিবেশন ভণ্ডুল করার অভিযোগ এনে সোমবার ওই ২৫ সাংসদকে পাঁচ দিনের জন্য বহিষ্কার করেন স্পিকার ।
স্পিকার সুমিত্রা মহারাজের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাজধানী দিল্লিতে পার্লামেন্টর প্রবেশপথে গান্ধীর মূর্তির সামনে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করেন সোনিয়া গান্ধী, তার পুত্র রাহুল গান্ধী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোনমোহন সিংসহ কংগ্রেসের উর্ধ্বতন নেতারা । এর প্রতিবাদে আজ পার্লামেন্টের ভূমি বিল সংক্রান্ত অধিবেশন বর্জন করেছে কংগ্রেস সাংসদরা।
এই বহিস্কারের ঘটনায় মোদী সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমন করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। তিনি বিজেপি’র প্রধান তিন নেতার পদত্যাগের দাবি করেছেন।
ভারতে সংসদের অচলাবস্থা কাটাতে সোমবার কংগ্রেসের ওই ২৫ সাংসদকে পাঁচ দিনের জন্য বহিষ্কার কেরেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী বলেছেন, ভারতীয় গণতন্ত্রে এটি একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সপ্তাহ ধরে লোকসভা বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেসের সঙ্গে একাত্ম হয়ে একই ঘোষণা করেছে বাম, তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি এবং এনসিপি। তারাও এই পাঁচ দিন লোকসভায় যাবে না। এ নিয়ে করণীয় সম্পর্কে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে ভারতের অন্যান্য বিরোধী দলগুলোও।

