আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে কুর্দি সমাজতান্ত্রিক দল পিকেকে’র অবস্থান লক্ষ্য করে পরিচালিত তুর্কি হামলায় বিপাকে পড়েছে কুর্দিস্তানের প্রাদেশিক প্রশাসন। কুর্দি প্রশাসনের পররাষ্ট্র অধিদপ্তরের প্রধান নির্বাহী মুস্তাফা বাকির বলেন, কুর্দিস্তানিরা দুই দলের মাঝে পড়ে গেছে। তিনি এ অবস্থা থেকে আশু উত্তরণের পথ খুঁজছেন এবং দুই পক্ষকেই অস্ত্রবিরতির আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে তুরস্ক ইরাকের উত্তরাঞ্চলে পিকেকে অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে। দেশটি পিকেকে-কে আখ্যায়িত করছে সন্ত্রাসবাদী এবং তাদের সার্বভৌমত্বের ওপর হুমকি দানকারী দল হিসেবে। যদিও কুর্দিদের নিয়মিত সেনাবাহিনী পেশমেগ্রা এ মুহূর্তে ইরাক ও সিরিয়া ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধেও লড়ছে। যে কারণে বলা যায় কুর্দিদের সঙ্গে তুরস্কের একটি সাধারণ শত্রু আছে, ইসলামিক স্টেট গ্রুপ, সে হিসেবে তাদের মধ্যকার মিত্রতাই বরং স্বাভাবিক।
মুস্তাফা বাকির মন্তব্য করার ব্যাপারে ছিলেন যথেষ্ট সাবধানী। তুর্কি প্রশাসনের সরাসরি বিরুদ্ধাচরণ করে এমন কোনো কথা বলা থেকে তিনি বিরত থেকেছেন। যদিও এমনকি ইরাকী প্রশাসন থেকেও তুরস্কের হামলায় নিন্দা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, তুরস্কের এ হামলা ইরাকের সার্বভৌমত্বের ওপরই হুমকি। অপরদিকে মুস্তাফা বাকির শুধুমাত্র অসুবিধাজনক পরিস্থিতির কথা বলেই থেমেছেন।

