আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রুঙ্গি আদাক মুক্তি পেয়েছেন। যিনি তিব্বতের সাধারণ মানুষের কাছে এক নায়োকোচিত ব্যক্তিত্ব। আজ থেকে আট বছর আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ‘তুচ্ছ এক কারণে।’ তিব্বতের মানুষের কাছে তা তুচ্ছ হলেও চীনা প্রশাসনের কাছে রুঙ্গির গ্রেপ্তার ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। রুঙ্গি দালাই লামাকে তিব্বতে ফিরিয়ে আনার সপক্ষে সোচ্চার হয়েছিলেন।
রুঙ্গি আদাক মূলত এক যাযাবর। তিনি এগার সন্তানের জনক। গ্রেপ্তার হওয়ার পরই একজন সাধারণ মানুষ থেকে তিনি রীতিমতো তিব্বতবাসীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। তিব্বতের প্রতি চীনের দমনমূলক নীতির প্রতি ঐ অঞ্চলের মানুষ বহু আগেই শ্রদ্ধা হারিয়েছে। যে কারণে দালাই লামা তাদের এতো আরাধ্য। কারণ তিনি তিব্বতের মানুষকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন।
চীনের বিতর্কিত শিচুয়ান প্রদেশের এক কারাগারে তাকে আটক রাখা হয়েছিল। শুক্রবার তাকে মুক্তি দেয়া হয়। ৫৩ বছর বয়েসে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এখন তার বয়েস ৬১। এ ব্যক্তি ২০০৭ সালে নিজ মাতৃর্ভূমি তিব্বতের লিতাং-এ এক উৎসব চলাকালে জনসমক্ষে দালাই লামাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে তিব্বতে চীনবিরোধী বড় ধরনের বিক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে।

