আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রায় ৩৫ বছর পর এক সন্তাননীতি থেকে সরে আসছে চীন। শিগগিরই দেশটি দুই সন্তাননীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে। চীনা দৈনিক গ্লোবাল পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
বর্তমানে চীনের জনসংখ্যা একশ ৩০ কোটি। দেশটি ১৯৮০ সালে জনসংখ্যার বৃদ্ধি ঠেকাতে বাধ্যতামূলক এক সন্তাননীতি গ্রহণ করে।
সম্প্রতি এক অনলাইন জরিপে দেখা গেছে চীনের ২৯টি প্রদেশের অধিকাংশই দ্বিতীয় সন্তাননীতিকে সমর্থণ করছে। তবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেক তরুণ দম্পতি দুই সন্তানের ব্যাপারে কম আগ্রহী।
সরকারি মুখপাত্রের বরাত দিয়ে চীনা বিজনেস নিউজ জানিয়েছে, সব চীনা দম্পতির জন্য দুই সন্তাননীতির যে বিধান , যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ তা বাস্তবায়ন হবে।
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লু জিহুয়া জানিয়েছেন, ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং কমিশন সংশোধিত নীতি শিগগিরই বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। তবে এর পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়তো চলতি বছরের শেষে অথবা আগামি বছর অথবা ১৩তম চীনা পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনার শুরুতে করা হবে।
তিনি বলেন, ‘ দ্বিতীয় সন্তাননীতি বাস্তবায়ন খুব সহজ নয়। দুই সন্তাননীতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সমস্ত নীতি, নিয়মকানুন, আনুষ্ঠিকতা ও সুবিধার সমন্বয় হতে হবে এবং এর জন্য সময়ের প্রয়োজন।’
সাংহাই অ্যাকাডেমি অব স্যোশাল সায়েন্সের জনসংখ্যাতত্ববিদ লিয়াং ঝোংটাং বলেন, এই এক সন্তাননীতি আরো আগে বিলোপ করা উচিৎ ছিল। মূল বিষয়টি এক অথবা দুই সন্তান নয়। এটা প্রজনন স্বাধীনতা। এটা মানুষের মৌলিক অধিকার। অতীতে সরকার বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

