মাদারীপুর প্রতিনিধি : ঈদের পঞ্চম দিনে জেলার শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া রুটে যাত্রীদের ঢল নেমেছে। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর একসঙ্গে যাত্রীদের কর্মস্থলমুখি ভিড় শুধুমাত্র দেখা যাচ্ছে বুধবার সকাল থেকেই।
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার খ্যাত মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাওড়াকান্দি ঘাট। এই কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে বুধবার সকাল থেকে যেন যাত্রীদের স্রোতে যাচ্ছে রাজধানীমুখি। হাজার হাজার যাত্রীরা সকাল থেকে নৌযানে চেপে পাড়ি দিচ্ছে পদ্মা। নৌযানে নিজের স্থান করে নিতে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে লাইনে। যে লাইনের শেষ নেই। দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে লঞ্চ, স্পিডবোটে উঠার লাইন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই লাইনও বড় হচ্ছে যাত্রীদের চাপে। লঞ্চ, স্পিডবোটের পাশাপাশি ফেরিতে দেখা গেছে যাত্রীদের ভিড়। তবে পরিবহনের সংখ্যা তুলনামুলক কম ছিল বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত।
বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ঘাট সূত্র জানিয়েছে, সকাল থেকেই যাত্রীদের ঢল নেমেছে কাওড়াকান্দি ঘাটে। লঞ্চ, স্পিডবোটের পাশাপাশি ফেরিতেও যাত্রীদের চাপ রয়েছে। তবে পরিবহন কিছুটা কম। আবহাওয়া খারাপ থাকায় যাত্রীদের বিরাট একটা অংশ ফেরির দিকে ঝুঁকছে। নৌরুটে অত্যাধুনিক রোরো ফেরিসহ ১৭টি ফেরি চলছে। যাত্রীদের চাপে কর্তৃপক্ষ পণ্যবাহী পরিবহন আপাতত পারাপার বন্ধ রেখেছে।
সরেজমিনে বুধবার সকালে দেখা গেছে লঞ্চগুলো অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে পদ্মা পার হচ্ছে। তবে বিআইডব্লিউটিএর কাওড়াকান্দি ঘাটের দায়িত্বরত পরিবহন পরিদর্শক এবিএস মাহমুদ বলেন, ‘আসলে কোনো লঞ্চেই অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া হচ্ছে না। সেই সুযোগ নেই। অনেক সময় যাত্রীদের চাপ বেড়ে গেলে কিছু বেশি চলে যায়। তবে তা ধারণক্ষমতার মধ্যেই। আবার যাত্রীরা লঞ্চের উপড়ে এবং পাশের ডেকে দাঁড়িয়ে থাকলে দূর থেকে মনে হয় অনেক যাত্রী রয়েছে। আসলে তেমন নয়। অধিক যাত্রী বহনের কোনো সুযোগ নেই।’
কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিঞা জানান, ‘ঘাটে যানবাহনের চাপ নেই। ফেরিতেও গাড়ি কম। তবে সাধারণ যাত্রীরা পার হচ্ছে ফেরিতেও। তবে বিকেলের দিকে পরিবহনের চাপ বাড়তে পারে।’

