ঢাকাThursday , 16 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গার্মেন্টসে ৯৯% বেতন ও বোনাস ৯৫% পরিশোধ

Link Copied!

BGMEAঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : পোশাক খাতের ঝুঁকিপূর্ণ ১ হাজার ৫শ’ গার্মেন্টের মধ্যে ৯৯ শতাংশই তাদের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেছে বলেছে দাবি করেছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। আর এসব কারখানার ৯৫ শতাংশ তাদের শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস উভয়ই পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম জানান, ১ হাজার ৫শ’ ছোট ও মাঝারি মানের কারখানার জন্য বিশেষভাবে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। যার মাধ্যমে ১ হাজার ৪শ’ ৮৯ টি কারখানা পরিদর্শন করা হয়েছে। যেখান থেকে জুন মাসের বেতন পরিশোধ করেছে ১ হাজার ৪শ’ ৮৭টি কারখানা। আর ঈদ বোনাস দিয়েছে ১ হাজার ৪৮৩টি কারখানা। আবার ৩১৫টি কারখনা তাদের জুলাই মাসের অগ্রিম বেতনও প্রদান করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংগঠনটির হিসাব মতে, গীতানু গার্মেন্ট ও গার্মেক্স গার্মেন্ট নামের দু’টি কারখানা তাদের শ্রমিকদের বেতন ভাতা দিতে পারেনি। তবে তারাও কথা দিয়েছে বৃহস্পতিবারের মধ্যে বেতন বোনাস পরিশোধের।
এছাড়া বিগত ১০ বছর ধরে বড় কারখানাগুলো নিয়মিতভাবে তাদের বেতন ভাতা পরিশোধ করছে বলে এ বছর সেগুলো মনিটরিং করা হয়নি। এ বিষয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, বড় কারখানাগুলোর বেতন ভাতা নিয়ে গত ১০ বছরে কখনো সমস্যা হয়নি। এবারো হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
তবে আতিকুল ইসলাম দাবি করেন, বেতন ভাতা পরিশোধের এই অগ্রগতি পেছনে মনিটরিং বড় ধরনের অবদান রেখেছে। এর কারণেই পরিদর্শন ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বার বার মিটিং করে এর সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।
এদিকে সোয়ানের বিষয়ে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সোয়ানের ঘটনাটা আসলে আমরা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ এটা স্বীকার করছি। কিন্তু এটা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আমাদের হাতেও নেই। কারণ এটা এখন আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আদালত যা বলবে তাই হবে। আর একারণে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা বিষয়টি সমাধানে কাজ করছে।
চলতি বছরের মার্চের পর সোয়ান গার্মেন্টে কোন ধরনের কাজ হয়নি বলে জানান আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, এপ্রিলের শুরুর দিকে কারখানার মালিক মেশিনারি বিক্রি করে মার্চের বেতন পরিশোধ করেছেন। এরপরই তিনি চার তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। যেখানে আর কোন কাজ হয়নি।