ঢাকাTuesday , 14 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেশে গড় আয়ু ৭০ বছর

Link Copied!

BBSনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ বছর ৪ মাস। যা ২০০৯ সালে ছিল ৬৭ বছর ২ মাস। সেই সঙ্গে পুরুষের আয়ুষ্কাল ৬৮ দশমিক ৮ বছর এবং নারীদের গড় আয়ুষ্কাল ৭১ দশমিক ২ বছর।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্টাটিসটিকস অব বাংলাদেশ (এসভিআরএস)- ২০১৩ জরিপের প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে আছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনের কনফারেন্স রুমে এ জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরুষের চেয়ে নারীদের গড় আয়ু বেশি। নারীদের গড় আয়ু হলো- ৭০ বছর ২ মাস, যা ২০০৯ সালেছিল ৬৮ বছর ৭ মাস। আর পুরুষের গড় আয়ু হলো- ৬৮ বছর ৮ মাস, যা ২০০৯ সালে ছিল ৬৬ বছর ১ মাস।
এছাড়া প্রতি হাজার নারীর প্রজনন হার ৭১ জন। গ্রামের চেয়ে শহরে প্রজনন হার কম।
গড় আয়ু ছাড়াও প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দেশে মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে। বর্তমানে মাতৃমৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ, যা ২০১২ সালেছিল ২ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ।
জরিপ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে শিক্ষার হার মোট ৬১ শতাংশ, ২০০৯ সালেছিল ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ। পুরুষের ক্ষেত্রে সাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৬৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে সাক্ষরতার হার ৫৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এক্ষেত্রে নারীরা এখনও পিছিয়ে আছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
এছাড়া, মানুষের মধ্যে স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ হার ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০১২ সালে ছিল ৬৩ দশমিক ৮ শতাংশ।
আলোর উৎস ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যায়, দেশে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে শতকরা ৬৬ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০১২ সালে ছিল ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এ হার ছিল ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫৪ দশমিক ৬ এবং ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ। কেরোসিনের আলো ব্যবহার করছে ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ, যা ২০১২ সালে ছিল ৩৩ দশমিক এক শতাংশ।
অনুষ্ঠানে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘বিশ্বব্যাপীর কাছে বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট অর্জনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এরমধ্যে কিছু অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে মানুষের জীবনের পরিবর্তন তার একটি ইতিবাচক চিত্র পেয়েছি। এ প্রতিবেদনটি অনেক খানি গ্রহণযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ প্রকল্পটির কার্যক্রম বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর একটি নিয়মিত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ১৯৮০ সাল হতে আন্তঃশুমারি সময়ের জনতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহের জন্য এ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ২০১৩ সাল থেকে দেড় হাজার নমুনা এলাকায় এ কার্যক্রম চলছে, যেখানে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার পরিবার হতে নিয়মিত জনতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহকরা হচ্ছে।
বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব এমএ মান্নান,বিবিএসর অতিরিক্ত মহাপরিচালক বাইতুল আমিন ভূঁইয়া, এমএসভিএস বি প্রকল্পের পরিচালক একেএম আশরাফুল হক প্রমুখ।