নিজস্ব প্রতিবেদক : একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দীন আহমেদ।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে অল কমিউনিটি ফোরাম আয়োজিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অর্থবহ মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘আমি বর্তমান সরকারের সমলোচনা করবো না, শুধু দোয়া করি তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। রমাজান মাসে রোযা রেখে অন্তত সুচিন্তা করে তারা একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের ব্যবস্থা করুক। যাতে দেশে থেকে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র আবার ফিরে আসে।’
প্রবীণ এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে তারা নির্বাচনের দিকে এখন অগ্রসর হচ্ছে না। তারা দেশের উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আমি তাদের (সরকারের) উন্নয়নের কথা বলি- পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়েছে, শেষ হবে কখন জানিনা। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংক তাদের অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে। এটাই কি তাদের উন্নয়ন? আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই- গণতন্ত্র বকেয়া রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘তাদের দায়িত্ব দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা কিন্তু তারা সেটা না করে বিএনপি জামায়াত দমন করার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।’
বিএনপিপন্থী এই বুদ্ধিজীবী বলেন, ‘সংসদে যাদেরকে বিরোধী দল হিসেবে রাখা হয়েছে, তারা কেমন বিরোধী দল? বিরোধী দলের মধ্যে মন্ত্রী থাকে এটা অশিক্ষিত আচরণ ছাড়া আর কিছুই না।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে দেশের সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। জনগণকে বুঝাতে হবে এটা তাদের অধিকার।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুলের সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির সহ-তথ্য ও গভেষণা সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সংগঠনের উপদেষ্টা হায়দার আলী প্রমুখ।

