ঢাকাThursday , 9 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুরোদমে চলছে জাতীয় ঈদগাহের প্রস্ততি

Link Copied!

Jatyo-Idgahনিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি। ঈদের এই আনন্দকে ঘিরে ঘরে-বাইরে সবখানেই নাগরিক ব্যস্ততা বেড়ে উঠেছে। রমজানের আয়োজনে আগে থেকেই সেজে আছে রাজধানীর মার্কেটগুলো। এবার প্রস্তুতি চলছে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য রাজধানীর ছোট-বড়, জাতীয় ঈদগাহ নির্মাণের প্রস্তুতি।
রাজধানীর ঈদের জামাতের প্রধান আকর্ষণ থাকে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান জুড়ে। এখানে সব পেশা ও শ্রেণীর মানুষেরা ঈদের নামাজে শরিক হতে আসেন। এখানে দেশের রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, বিচারক, ধন্যাঢ্য ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট ব্যক্তিরাসহ সকলেই ঈদের দিন সমবেত হন এবং এক ইমামের পেছনে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নামাজ আদায় করেন।
দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের মাঠ প্রাঙ্গণে প্রতিবছর ইদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তাই বিশাল এই জামাতকে কেন্দ্র করে দশ রোজা থেকেই ঈদগাহের অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে মাটিতে শুকনা বাঁশ বসিয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে নির্মাণ করা হয় এই অবকাঠামো।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঈদগাহের মিম্বর (ইমামের বসার স্থান) সাদা-গোলাপি-নীল রঙের আদলে নতুনভাবে ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠজুড়ে শ্রমিকরা নির্মাণ করছেন বাঁশের তৈরি সুবিশাল অবকাঠামো। তবে এবার দ্রুত কাজ করায় এই অবকাঠামো নির্মাণ এখন অনেকটাই শেষ পর্যায়ে। অবকাঠামো নির্মাণ পুরোপুরি শেষ হলে এর উপর বিছিয়ে দেয়া হবে রোদ ও বৃষ্টি নিরোধক প্লাস্টিকের চট। আর এরপরেই শুরু হবে ঈদগাহ আলোকিত করার কাজ।
সব ঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দুই লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তনের জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৮৪ হাজার মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। তবে ময়দানের আশপাশের রাস্তায় অবস্থানকারীসহ জামাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় এক লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার।
মাঠের ভেতরে ইমামের পেছনে বসবেন প্রেসিডেন্টসহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এরপর অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বসবেন। এ কারণে প্রথম ও দ্বিতীয় সারিতে থাকবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করতে হবে কদমফুল ফোয়ারা-সংলগ্ন প্রধান গেট দিয়ে। তবে নারীদের জন্য থাকবে পৃথক গেট।
ঈদ জামাতে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তায় সাতটি আর্চওয়েসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। এছাড়া জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও পুলিশের পৃথক ক্যাম্প বসানো হবে। পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে র‌্যাব ও পুলিশের গোয়েন্দা দল মোতায়েন থাকবে ঈদগাহ এলাকায়।
ঈদুল ফিতরের প্রধান এ জামাতকে ঘিরে মুসল্লিদের অজুর পানি সরবরাহ ও ব্যবহৃত পানি অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ময়দানে মুসল্লিদের সুবিধার জন্য ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ও পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওযু খানার পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য থাকছে একটি ভ্রাম্যমান শৌচাগার।
কদম ফোয়ারার সামনের প্রধান ফটকসহ চারটি পথে মুসল্লিরা ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করবেন। এর মধ্যে একটি ভিআইপিদের জন্য, দুইটি সাধারণ মুসল্লিদের জন্য আর একটি ফটক থাকবে নারীদের প্রবেশের জন্য। ফটক থেকে প্যান্ডেল পর্যন্ত যাওয়ার পথেও থাকছে ছাউনি ব্যবস্থা।