ঢাকাTuesday , 7 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোগান্তির মাত্রা বাড়ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে

Link Copied!

traficকুমিল্লা প্রতিনিধি : ঈদকে সামনে রেখে ক্রমেই ব্যস্ত হয়ে উঠছে দেশের ব্যস্ততম রুট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এ সড়কে অত্যন্ত ধীর গতিতে চলছে চার লেন প্রকল্পের কাজ। একদিকে রাস্তায় অসংখ্য খানাখন্দ অন্যদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে রাস্তার বেড়ে চলছে যানজট। এর ফলে চরমে পৌঁছেছে এ রুটের যাত্রীভোগান্তি। বিশেষ করে এ মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে এ ভোগান্তির পরিমাণ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার কথা বললেও ২০১৫ সালের মাঝামাঝি এসেও কাজ হয়েছে মাত্র ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ। চলতি বছরের মধ্যে এ কাজ শেষ হবে বলে মনে করছেন না কেউ।
সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এক হাজার ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে ঢাক-চট্টগ্রাম রুটের ৪ লেন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। তবে কখনও মাটির সঙ্কট, কখনও অর্থ সঙ্কট, কখনও বা বৃষ্টির অজুহাতে বিলম্বিত হতে থাকে এ মহা প্রকল্পটির কাজ।
বিদেশি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ‘সিনো হাইড্রো করপোরেশন’ অর্থ সঙ্কটের অজুহাতে শ্রমিক-কর্মচারি ছাটাই আর যন্ত্রপাতি গুটিয়ে কাজ বন্ধ রাখে।
প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, শুষ্ক মওসুমে কাজের গতি বাড়িয়ে অনেক এগুনো যেতো। কিন্তু শুরু থকে কয়েক দফায় একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকায় কাজের অগ্রগতি মারাত্মক ভাবে ব্যহত হয়।
তবে যথাসময়ে কাজ শেষ না হওয়ার জন্যে রাজনৈতকি অস্থিরতাই অনেকাংশে দায়ী বলে মনে করেন চার লেন প্রকল্প-২ এর ম্যানেজার প্রকৌশলী মাসুদ সারোয়ার। সেইসঙ্গে পাথর সংকট এবং বর্ষা- এ দুটো কারণে মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ৯৯ কিলোমিটারসহ চার লেনের কাজের ধীরগতির অন্যতম কারণ বলেও তিনি মনে করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুম সারোয়ার আরও বলেন, ‘বর্ষার কারণে পাকাকরণের কাজ কিছুটা ব্যহত হয়। তার উপর ভারত থেকে পাথর আসা বন্ধ থাকায় পাথরেরও সংকট রয়েছে।’
এ অচলাবস্থা চলতে থাকলে শুষ্ক মৌসুমেও কাজ বাধাগ্রস্থ হবে বলে জানান তিনি।
এ বাস্তবতায় সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ শেষ করার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন ২০১৫ সালের জুন মাসে। প্রকল্পে গতিহীনতার কারণে ২০১৫ সালেও কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
প্রকল্পের কাজে ধীরগতির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দিন দিন তীব্র হচ্ছে যানজট। বিশেষ করে কুমিল্লা সেনানীবাস এলাকার মতো সরু স্থানগুলোতে যানবাহনের তীব্র চাপ নিত্যদিনের চিত্র। তাই প্রতিনিয়ত জনদুর্ভোগ আর দুর্ঘটনাও বাড়ছে।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে যানজট নিরসন ও যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি কুমিল্লা জেলা পুলিশও মাঠে থাকবে বলেন জানিয়েছে জেলার পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা।