ঢাকাThursday , 2 July 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শাসকরা দুর্বল তাই ফ্যাসিবাদে পরিণত হয়

Link Copied!

sirajul-islam-sirনিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষাবিদ, প্রফেসর অ্যামিরেটাস সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের শাসকগণ অনেক দুর্বল। জনসমর্থন হারিয়ে তারা ফ্যাসিবাদে পরিণত হয়।’
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা আয়োজিত ‘মোদির বাংলাদেশ সফর: ২২ দফা ও জাতীয় স্বার্থ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদ এবং এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত যোগাযোগ চুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বর্তমান যুব সমাজ যেসব মাদকে আসক্ত তার বেশির ভাগই আসে ভারত থেকে। কাজেই যোগাযোগ চুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না হলে মাদক পাচার রোধ করা যাবে না।’
শেখ হাসিনা সরকার অনির্বাচিত ও অগনতান্ত্রিক মন্তব্য করে গনতান্ত্রিক বাম মোর্চার সমন্বয়ক মোশরেফা মিশু বলেন, ‘সরকারের প্রতি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থনের বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুসমূহ অমীমাংসিত রেখে ভারতের সব চাহিদা মিটিয়ে দেয়া হয়েছে।’
ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত ২২টি চুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগেণের স্বার্থে চুক্তি ও সমঝোতার নৈর্ব্যক্তিক পর্যালোচনা হওয়া জরুরি।’
বাম মোর্চার এই সমন্বয়ক বলেন, ‘তিস্তার পানি চুক্তির ব্যাপারে ফাঁকা আশ্বাস ছাড়া বাস্তবে কিছুই পাওয়া যায়নি। কারণ ২০১১ সালে মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানি বণ্টনের চুক্তির যে খসড়া সমঝোতা তৈরি হয়েছিল সেখান থেকে তারা সরে আসতে তৎপর হয়ে উঠেছে।’
ভারতের দুটি কোম্পানির সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে, বিনা টেন্ডারে ও বিনা প্রতিযোগিতায় জ্বালানি সংক্রান্ত বিশেষ আইনের আওতায় দায়মুক্তির সুযোগ নিয়ে ভারতের রিলায়েন্স ও আদানি গ্রুপের সঙ্গে ৩ হাজার ও ১৬শ’ মেগাওয়াটের চুক্তি হয়েছে।’
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী বিডি রহমত উল্লাহ বলেন, ‘ভারত বিদ্যুৎ ঘাটতির দেশ। তাদের বছরে প্রয়োজন ২ লাখ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কিন্তু উৎপাদন করে দেড় লাখ মেগাওয়াট।’
ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতারণা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভারত নিজেদের স্বার্থে নেপাল, ভুটান ও মিয়ানমার থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষেই বাংলাদেশকে মাঝে রেখে রেল ও সড়ক পথ চুক্তি করেছে।’
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তেল-গ্যাস-খনিজ-সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সমন্বয়ক প্রকৌশলী শেখ শহীদুল্লাহ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ম এনামুল হক, ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক প্রমুখ।